ফরিদপুর-৪ আসনের খেলাফত মজলিসের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লার গণসংযোগ শেষে ভোটারদের কেমন সাড়া পাচ্ছেন ? এমন এক প্রশ্ন করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "ইসলামী দলগুলো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা জমি দখলের সঙ্গে যুক্ত নয়। বৃদ্ধ- তরুন সহ সর্বস্তরের (ভোটাররা) তারা এবার ইসলামিক দল, ইসলামী মুখ দেখতে চায়। বিভিন্ন দল দেখেছেন এবার তারা ইসলামী দল দেখতে চান।"
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের হরেরহাট, বিদ্যানন্দী, শুখনী সহ বিভিন্ন হাট ও বাজারে গণসংযোগ শেষে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং দোয়া চান। শনিবার বিকেলে ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজারে এই গণসংযোগ করা হয়।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে খেলাফত মজলিসের ফরিদপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর-৪ আসনের খেলাফত মজলিসের মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা মিজানুর রহমান জানান, আজ আমরা ভাঙ্গা উপজেলার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে হরির হাট ও বিদ্যানন্দী এলাকায় গণমানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করলাম। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিকশা প্রতীকে মানুষের উচ্ছ্বাস ও সাড়া দেখে আমরা খুবই খুশি। আমাদের সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাক্ষাৎ হয়েছে; তারা আমাদের সাদরে গ্রহণ করে নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, কোনো একটি ইসলামী দল কোনো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, টেন্ডারবাজি, জমি দখল, ফ্ল্যাট দখলের সঙ্গে যুক্ত নয়। ইসলামী দল যদি ক্ষমতায় যায়, তাহলে অধিকারবঞ্চিত মানুষের পাশে অধিকার আদায়ে আমরা থাকব। মাদক নির্মূল ও সন্ত্রাসমুক্ত উন্নত বাংলাদেশ উপহার দেব।
"বৃদ্ধ তরুন সহ সব স্তরের ভোটাররা তারা ইসলামিক দল, ইসলামী মুখ দেখতে চায়। বিভিন্ন দল দেখেছেন এবার তারা ইসলামী দল দেখতে চান।"
মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা'র গণসংযোগ কালে স্থানীয় খেলাফত মজলিসের নেতা কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গা উপজেলা খেলাফত মজলিস ভাঙ্গা উপজেলা শাখার উপদেষ্টা মাওলানা আবুল খায়ের সেলিম, সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা ওয়ালীউল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ, সহ-প্রচার সম্পাদক মনিরুজ্জামান, অর্থ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মো. মোশাররফ হোসেন, হাফেজ মো. লিয়াকত হোসেন সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।