মাত্র সাতজন দিয়ে শুরু আজ প্রায় ২০০ সদস্যের এক বিশাল মেলাবন্ধন। ০৭ বছর আগে স্কুল আর ০৫ বছর আগে কলেজের গণ্ডি ছাড়লেও সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ব্যাচমেটদের একত্র করতে এই গ্রুপ তৈরি করা হয়। বর্তমানে গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ০২ শত ছাড়িয়েছে। কিন্তু বেশির ভাগ সদস্য একে অন্যকে চিনে না। দেখা হয়নি একজনের সঙ্গে অন্যজনের। সকলের সাথে পারস্পরিক বন্ধন তৈরির উদ্দেশ্য হাজী শরীয়ত উল্লাহ কলেজ মাঠে আয়োজন করেছে ইফতার মাহফিলের।
গ্রুপের সদস্য আকিব সরদার বলেন, এতদিন যাদের সঙ্গে অনলাইনে বন্ধুত্বের কথা চালাচালি হয়েছে, এবার বাস্তবে তাদের দেখবো। বছর কয়েক আগে হঠাৎ ফেলে আসা স্কুল কলেজ জীবন যেন আমাদের কাছে এখন রঙিন আলোয় উদ্ভাসিত হচ্ছে এ ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে।
আয়োজক আমিন সরকার বলেন, সামনের বছর আরও বড় আয়োজনে সব বন্ধুদের নিয়ে ইফতার মাহফিলের আয়োজনের কথা ভাবছি আমরা।
ইফতার মাহফিলের অন্যতম আয়োজন রুবাইদ আহমেদ বলেন, শুরুতে খুব অল্প কয়েকজন বন্ধু মিলে যখন পরিকল্পনাটি করছিলাম, তখন ভাবতেও পারিনি এত সাড়া পাবো। আমাদের রেজিস্ট্রেশনের কোটা মাত্র একদিনে টার্গেট ফিলআপ হয়ে যায়। এখন গ্রুপের অনেকেই ফোন করছে, বিকাশে টাকা পাঠাতে চাইছে, কিন্তু সবাইকে জায়গা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
মোঃ সাউদ আহমেদ বলেন, আমাদের মধ্যে অনেকে আবার পেশাগত জীবনে পরিচিত। কিন্তু আমরা যে এক ব্যাচে পড়াশুনা করেছি, তা কোনোদিন জানতামই এ গ্রুপে না এলে। বড় ভাই বলে যাদের এতদিন সম্মান করেছি, এখন দেখা যাচ্ছে তারা সব আমাদের বন্ধু।
শরীয়তপুরের সখিপুর বাজারের ব্যবসায়ি সাব্বির মুন্সি এই গ্রুপ নিয়ে খুব উচ্ছ্বসিত। তিনি খুবই ভালো মানের বাবুর্চি সন্ধান দিয়েছে।
গ্রুপের মেম্বাট ইকবাল শেখ বলেন, সারাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমাদের ব্যাচের হাজারো শিক্ষার্থী আছে, যাদের সঙ্গে কোনদিন কথা হয়নি, দেখা হয়নি, তাদের সবাইকে তুই তুই করে সম্বোধন করছি, গল্প করছি স্মৃতি রোমন্থন করছি, এটা সত্যি দারুণ এক ব্যাপার। গ্রুপের অ্যাডমিন ইফতার মাহফিলের সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন।