সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : শরীয়তপুর

অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে পদ্মায় তীব্র ভাঙনের হুমকিতে দুইশত পরিবার।


eshomoy.com || 2024-09-17
অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে পদ্মায় তীব্র ভাঙনের হুমকিতে দুইশত পরিবার।

শরীয়তপুরের জাজিরায় পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের পাইনপাড়া, আহাম্মেদ মাঝির কান্দি এলাকায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে অন্তত ২০০ পরিবার তাদের বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন।

আরও তিনশত পরিবার আতঙ্কে আছে বলে যানা গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালীরা পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে খননযন্ত্রের সাহায্যে বালু তোলার কারণে এ ভাঙন দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভাঙন কবলিত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পদ্মা সেতুর সংলগ্ন জাজিরা উপজেলার পদ্মা নদী বেষ্টিত পাইনপাড়া চরের আহাম্মেদ মাঝির কান্দি এলাকার প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা ভাঙনের শিকার হয়েছে। গত দুই সপ্তাহ যাবত নদী ভাঙনে অন্তত ২০০ পরিবার তাদের বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে। পাশাপাশি নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে ফসলি জমি, গাছপালা, মসজিদ। ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে পাইনপাড়া মাঝিকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মফিজুল উলূম নূরানী মাদরাসাসহ আরও অন্তত ৩০০ বাড়িঘর।

অনেকেই পাশের এলাকা মঙ্গল মাঝির ঘাট এলাকায় আশ্রয় নিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের সাহায্যে পাইনপাড়ার চর কেটে অবৈধভাবে বালু তোলার কারণে আহামদ মাঝী কান্দি এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত দুই সপ্তাহে ২০০ পরিবার তাদের বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে। তাই প্রশাসনের কাছে দাবি, অবৈধভাবে খননযন্ত্রের সাহায্যে বালু তোলা বন্ধ করা হোক। একই গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মান্নান শেখ বলেন, ড্রেজার দিয়ে বালি কাটার কারণে আমাগো চরডা ভাইঙ্গা যাইতাছে। আমাগো (আট) বিঘা জমি আছিল বেশিরভাগ গাঙ্গে (নদী) নইয়া গেছে।

সরকার একটা বেড়িবাঁধ দিয়া দিলে, আর ড্রেজার বন্ধ কোরলে আমরা বাঁচতাম। জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া ইসলাম লুনা জানান, আহাম্মেদ মাঝির কান্দি এলাকায় নদী ভাঙনের স্বীকার (গত সপ্তাহে) ১৫০ জন পরিবারের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ওই পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য পরিবারের তালিকা তৈরি করে সহযোগিতা করা হবে। শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (শরীয়তপুর পওর শাখা -৩) উপসহকারী প্রকৌশলী সুমন চন্দ্র বনিক বলেন, বিগত বছরগুলোতে পাইনপাড়া এলাকায় ভাঙন কবলিত স্থানে আমরা জরুরি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করতে পেরেছি।

এ বছর জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়নি। কারণ, পাইনপাড়া চর এলাকায় অর্থ বরাদ্দ চেয়ে আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে পত্র দিয়েছি। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে বরাদ্দ পেলে ভাঙন রোধে কাজ শুরু করা যাবে।