কবি শামীম আশরাফ বলেন, ‘কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের মুক্তমঞ্চটিকে গুঁড়িয়ে দেওয়ায় হৃদয়ে বারবার রক্তক্ষরণ হচ্ছে। বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আজ শুক্রবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদের গুঁড়িয়ে দেওয়া মঞ্চে বীক্ষণ আসর শুরু হয়। মঞ্চে দুঃখের ফুল ফোটার কথা ছিল না। আনন্দের ফুল ফোটার কথা ছিল। তাই আমরা প্রতিবাদী গান, কথা ও কবিতায় মুক্তমঞ্চ গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
কবি শামীম আশরাফ আরও বলেন, ‘আমাদের গুঁড়িয়ে দেওয়া মঞ্চ পুনর্নির্মাণ করে দেওয়া হোক। অন্যথায় আন্দোলন আরও কঠোর হবে। আমরা প্রশাসনকে দুদিনের আলটিমেটাম দিয়েছি। এর মধ্যে মঞ্চ তৈরি করে না দিলে আমরা সারা দেশে আন্দোলনের ডাক দেব।’ আজ বীক্ষণ আসরে হৃদয় মাহমুদের সঞ্চালনায় অংশ নেন কবি সুরঞ্জিত বাড়ই, সাঈদ ইসলাম, অনিন্দ্য জসীম, শতাব্দী কাদের, এস এম রায়হান, জেবুন্নেসা রিনা, শরৎ সেলিম, চিন্তক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি নজরে আসার পর জেলা প্রশাসককে বলেছি, কেন সাহিত্য সংসদের মুক্তমঞ্চ ভাঙা হলো। সেটি না ভাঙলেও তো হতো। আসলে অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে অন্য স্থাপনার সঙ্গে সেটি ভাঙা হয়েছে। জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, ভালো একটু জায়গা দেখে সাহিত্য সংসদের নামে একটি স্থাপনা বৈধভাবে করে দেওয়ার জন্য।’