এই বিশাল বিচ্ছিন্ন আসমানে,
যা আবৃত করে রেখেছে আমাকে
এবং আপনাকে
অতি সন্তস্পর্ণে তাহার কোনে,
অথচ দেখো এ ধরায় আমরা
কত যোজন যোজন দূরে।
যানেন মোহিনী আমার মন খারাপের সময় আমি ছাদে চলে আসি।
ছাঁদে এসে চুপ-চাপ আকাশ দেখি, আকাশের চাঁদ দেখি, পাখি চেয়ে দেখি, ছাদে থাকা বাগান বিলাস ফুল দেখি।
এতো কিছু দেখার পরও আমার মনের মাঝে কেমন শূন্যতার হাহাকার!
শুধুমাত্র
দূর করতে পারে আপনার দর্শন,
একটু চাহনি।
কিন্তু তা না সম্ভব।
তাই আমি আকাশে চাঁদ,
তারা মেঘের মধ্যে আপনার
প্রতিচ্ছবি খুঁজে ফিরি।
তুমিও তাদের দেখো কিনা!
দেখতে গিয়ে যদি তোমার প্রতিচ্ছবি পেলে আসো তাদের ক্রোড়ে এই ক্ষীণ আশাই আমার হৃদয়ের হাহাকার
কিঞ্চিৎ- স্তিমিত করে,
যদিবা তুমি তাদের দর্শনের কালে তোমার প্রতিচ্ছবি রেখে যাও মনে ভুলে,
বিনা ইছ্যেয়,
তুমি যে তোমার অনেকখানি রেখে গেলে অকপটে অকাতরে নিশব্দে আমি
হীনা কেউ জানলোইনা
তোমার কতখানি রয়েছে আমার তরে।
তোমার ওই সবখানি আমি আগলে রেখেছি মহাকালের স্রোতে হারিয়ে যাওয়া থেকে আমার বক্ষপিঞ্জরের গহিন মনিকোঠায়।
ভেবেছিনু ফিরে আসবে তুমি পথ হারিয়ে আমার তরে।
কোনো স্নিগ্ধ বিকেলের শীতল সমীরনের সাথে বেলি কিংবা হাসনাহেনার সুবাস নিয়ে।
এসে বলবে, আমায়, এসেছি আমি ফিরে তোমার তরে।
এইমাত্র যে বিমানটা আমার মাথার উপর দিয়া সাঁই করে চলে গেলো সেটাতে আপনি ছিলেন!
নতুবা আপনার স্মরনকালে সে আমার মনযোগ কেনো কেড়ে নিবে!