সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : জামালপুর

ইসলামপুরে ডিজিটাল ডায়াগনোস্টিকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জমজমাট


আরিফুর রহমান, ইসলামপুর(জামালপুর)প্রতিনিধি।

eshomoy.com || 2025-08-29
ইসলামপুরে ডিজিটাল ডায়াগনোস্টিকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জমজমাট

ইসলামপুরে ডিজিটাল ডায়াগনোস্টিকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জমজমাট

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ধর্মকুড়া বাজারের ডিজিটাল ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে চিকিৎসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক শহিদুর রহমান। অবশেষে তারই স্ত্রীর পাতা ফাঁদে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ সেন্টারে চিকিৎসা ও পরীক্ষার নামে প্রতারণা এবং নারী ব্যবসাসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছিল। বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী এনে দেহ ব্যবসা চালাতেন শহিদুর রহমান। এ বিষয়টি এলাকায় ওপেন সিক্রেট হলেও তার প্রভাব ও সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করার সাহস পেত না।

অভিযোগ রয়েছে, শহিদুর রহমান আসলে ডাক্তার নন। তবুও বছরের পর বছর নামের আগে “ডা.” পদবী ব্যবহার করে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। এমনকি প্যাথলজি বিভাগেও অনুমোদনহীন ও ভুয়া জনবল নিয়োগ দিয়ে রোগীদের নিয়মিত প্রতারণার শিকার করা হতো। ডাক্তার না হয়েও ডাক্তার পরিচয়ে চিকিৎসা দেওয়ার অপরাধে তিনি আগেও মামলা ও কারাদণ্ড ভোগ করেছেন।

২৪ আগস্ট বিকেলে শহিদুর রহমান নিজ কক্ষে এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকেন। খবর পেয়ে তার স্ত্রী কবিতা (ছদ্মনাম) কক্ষের দরজায় গিয়ে ডাকেন, কিন্তু শহিদুর দরজা না খোলায় তিনি বাইরে থেকে তালা মেরে পুলিশে খবর দেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা সেন্টারের সামনে ভিড় জমায় এবং বিক্ষোভ শুরু করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা খুলে শহিদুর রহমান ও ফুলকলি (ছদ্মনাম) নামের এক নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

কয়েক ঘণ্টা থানায় থাকার পর পারিবারিক সমঝোতার ভিত্তিতে মুচলিকা দিয়ে মুক্তি পান শহিদুর রহমান ও ওই নারী। এ বিষয়ে ভূয়া ডাক্তার শহিদুর রহমান জানান, "ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমন হয়েছে। আমি আর ডাক্তার পদবী ব্যবহার করব না এবং চিকিৎসা দেব না। তবে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করব।"

ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ. এ. এম. আবু তাহের বলেন, "ঘটনাটি অবগত আছি। বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।" ইসলামপুর থানার ওসি আ. স. ম. আতিকুর রহমান জানান, "উভয় পক্ষ পারিবারিকভাবে সমঝোতা করায় মামলা হয়নি। তবে ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে।"

জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক বলেন, "ধর্মকুড়া বাজার ডিজিটাল ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে যথেষ্ট অনিয়ম রয়েছে। খুব শিগগিরই সরেজমিনে পরিদর্শন করে মালিক পক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"