টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় ভাইরাল হওয়া সেই ১৩ কেজি পাঙ্গাশ কোন পুলিশ সদস্য নয় কিনেছেন গোবিন্দাসী বাজারের এক মাছ ব্যবসায়ী হালিম।
গত সোমবার (১ জুলাই) সন্ধ্যায় "১৩ কেজির পাঙ্গাশ ১৮ হাজার টাকায় কিনলেন পুলিশ কর্মকর্তা" এমন শিরোনামে ১টি নিউজ বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। যা খোঁজ নিয়ে দেখা যায় সেই পুলিশ কর্মকর্তা নয় মাছটি কিনেছে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী হালিম।
সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার খানুরবাড়ি এলাকার বিমল হালদার বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় যমুনা নদীতে জাল ফেলে ১৩ কেজির ১টি বিশালাকৃতির পাঙাস মাছ ধরেন। পরে মাছটি বিক্রির জন্য গোবিন্দাসী বাজারে বাবলু হালদারের মাছের আড়তে নিয়ে আসেন। মাছটি দেখতে বাজারে ভিড় জমায় অনেকেই। সেখানেই মাছটি বিক্রির জন্য ডাকে তোলা হয়। পরে ১৬ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন আরেক মাছ ব্যবসায়ী হালিম।
মাছ ব্যবসায়ী হালিম জানান, মাছটি আমি কিনে নেই। পরে ভূঞাপুর থানার পুলিশ সদস্য মঞ্জুরুল ভাইকে মুঠোফোনের মাধ্যমে মাছটি নেওয়ার কথা বলি। তবে মাছটির ওজন বেশি ও বড় আকৃতির হওয়ায় নিবেন না বলে জানান পুলিশ মঞ্জুরুল। তারপর আমরা কয়েকজন ব্যবসায়ীরা মিলে নিজেরা খাওয়ার উদ্দেশ্যে পাঙ্গাশ মাছটি কেটে ভাগ করে নেই।
ভূঞাপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, আমি কোন পাঙ্গাশ মাছ কিনি নাই। তবে গতকাল মাছ ব্যবসায়ী হালিম ফোন করে নদীর ১টি বড় পাঙ্গাশ মাছের কথা জানায়। মাছটির ওজন ১৩ কেজি ও বিশাল আকৃতির হওয়ায় আমি নিবো না বলে জানিয়ে দেই। কোন একটা কুচক্রীমহল আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এমন মিথ্যা নিউজ করেছেন। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।