ইউএনও বলেন, ‘গণমাধ্যমকর্মীরা যদি সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসেন, তাহলে সমাজ আরও এগিয়ে যাবে। পরিবেশ রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। মানুষ যত সচেতন হবে, তত পরিবেশের উন্নতি হবে। আর এ সচেতনতার দ্বায়িত্ব যদি গণমাধ্যমকর্মীরা গ্রহণ করেন- তাহলে দ্রুত এর উন্নতি ঘটবে।’ তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রীরা যখন গাড়িতে বসে উপজেলায় ঢোকার পথে মহাসড়কের দুই পাশে সবুজেগেরা গাছ গুলোর ফুটান্ত ফুলের রাস্তাটির সৌন্দর্যে পাখির কিচিরমিচিরে শীতল ছায়ায় পথচারীদের মনোরম পরিবেশে মন কেড়ে নেবে।
অন্যান্যরা বলেন, মহাসড়কে বৃক্ষরোপণ একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত এবং সামাজিক উদ্যোগ। এটি রাস্তার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এ বৃক্ষগুলি বাতাসকে পরিশোধন করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে পরিবেশকে আরও বাসযোগ্য করে তোলবে। অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে বিশুদ্ধ করবে। এছাড়াও মহাসড়কের পাশে গাছগুলো শব্দ দূষণ/ তরঙ্গ শোষণ করে শব্দকে কমিয়ে দেয় এবং গাছপালা বাতাস থেকে ক্ষতিকারক পদার্থ শোষণ করে বাতাসকে পরিষ্কার করে। এবং কি গাছের শিকড় মাটি ধরে রাখে, যা মাটি ক্ষয় রোধ করতে সাহায্য করে।