সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : ঢাকা

স্বেচ্ছায় রক্তদানের বিশ্বস্ত সংগঠন ‘বাঁধন’—২৫ বছরের ঐতিহ্য ধরে রক্তদানে উদ্বুদ্ধকরণ, সচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক সেবায় সক্রিয়

বাঁধন ঢাকা কলেজ ইউনিট: সভাপতি আব্দুল লতিফ ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদ শাওনের নেতৃত্বে মানবতার অগ্রযাত্রা

রক্তদানে উদ্বুদ্ধকরণ থেকে মানবিক সেবা—প্রতিটি পদক্ষেপেই আছে ভালোবাসা, ত্যাগ ও জীবনের স্পন্দন


বিশেষ প্রতিনিধি

eshomoy.com || 2025-12-11 18:56
 বাঁধন ঢাকা কলেজ ইউনিট: সভাপতি আব্দুল লতিফ ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদ শাওনের নেতৃত্বে মানবতার অগ্রযাত্রা

রক্তের বিনিময়ে হাসি ফিরিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন—বাঁধনের পথচলা


“একের রক্ত অন্যের জীবন—রক্তই হোক আত্মার বাঁধন।”

এই অমর স্লোগানের ভেতরেই লুকিয়ে আছে বাঁধনের জন্মকথা। ১৯৯৭ সালের ২৪ অক্টোবর যখন কয়েকজন স্বপ্নবান তরুণ মানবতার শপথ নিয়ে বাঁধনের যাত্রা শুরু করেন, তখন তাঁদের একটাই স্বপ্ন ছিল—বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ নিজের রক্তের গ্রুপ জানবে এবং সংকটে দাঁড়াবে মানুষের পাশে।


সেই স্বপ্নই আজ হাজারো তরুণের হৃদয়ে আলোকছটা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

এই উত্তরাধিকারের অংশ হয়ে ২০০১ সালের ১৮ জুন যাত্রা করে বাঁধন ঢাকা কলেজ ইউনিট, যা দুই দশকের বেশি সময় ধরে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক উজ্জ্বল নাম।


যখন নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করে, তখন সভাপতি আব্দুল লতিফ আবেগভরা কণ্ঠে বলেন—

“মানবতার এই পবিত্র দায়িত্ব আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য একটি নেয়ামত। আমরা সবাই বাঁধন কর্মী—মানুষের জীবন বাঁচানোই আমাদের প্রকৃত পরিচয়।”


সাধারণ সম্পাদক নাহিদ শাওন যোগ করেন—

“কারও প্রয়োজনের মুহূর্তে রক্ত পৌঁছে দিতে পারা—এর চেয়ে বড় আনন্দ আর কী হতে পারে?”



চিন্তার চেয়ে বড় মানবতা—রক্তদানে নতুন উদ্দীপনা


নতুন নেতৃত্বের অঙ্গীকার শুধু আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি নয়—এটি এক গভীর মানবিক চাওয়া।

তাদের লক্ষ্য—


আগের যেকোনো বছর থেকে বেশি রক্ত সংগ্রহ


প্রতিটি শিক্ষার্থীর রক্তের গ্রুপ জানা নিশ্চিত করা


ক্যাম্পাসে স্বেচ্ছায় রক্তদানের সংস্কৃতি আরও বিস্তৃত করা



যতদিন একজন মানুষও রক্তসংকটে কাঁদবে, ততদিন বাঁধনের এই পথচলা থামবে না—এমনই প্রত্যয় তাদের চোখে মুখে স্পষ্ট।


মানবিক দায়িত্বের বিস্তৃতি—রক্তদানের বাইরেও বাঁধনের যত্ন


রক্তদানই তাদের মূল শক্তি, কিন্তু মানবতার পরিধি আরও বড়। তাই তারা গ্রহণ করেছে হৃদয়ছোঁয়া কিছু উদ্যোগ—


পরিচ্ছন্নতা আন্দোলনের মাধ্যমে সবার জন্য সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি


ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনারের মাধ্যমে তরুণদের ভবিষ্যৎগড়া


ক্যাম্পাস সচেতনতামূলক কর্মসূচি


ডিজিটাল সাপোর্ট ও আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা


টিমওয়ার্ক ও নেতৃত্ব বিকাশ


বিশেষ দিবসে রক্তদানসহ মানবিক সেবা


অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো, দুঃসময়ে সহায়তার হাত বাড়ানো



সব মিলিয়ে তারা বিশ্বাস করে—বাঁধন শুধু একটি সংগঠন নয়; এটি মানবতার জন্য তৈরি এক পরিবার।


শেষ কথায় মানবতার জয়গান—জয় হোক বাঁধনের


মানুষের রক্তে মানুষ বাঁচে—এই চিরন্তন সত্যকে বুকে ধারণ করে বাঁধন ঢাকা কলেজ ইউনিট এগিয়ে যাচ্ছে নতুন উদ্যমে, নতুন ভালোবাসায়।

তাদের প্রতিটি প্রচেষ্টা, প্রতিটি দান, প্রতিটি স্বেচ্ছাসেবী হাত মিলিয়ে একটি বার্তাই দেয়—

“মানুষ মানুষে

র জন্য—আর বাঁধন সেই মানবতার নাম।”


জয় হোক মানবতার, জয় হোক বাঁধনের।