সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : শিক্ষা

রাবিতে পোষ্য কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে ২০ ঘণ্টা ধরে অনশনে শিক্ষার্থীরা


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-09-20
রাবিতে পোষ্য কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে ২০ ঘণ্টা ধরে অনশনে শিক্ষার্থীরা
বৃষ্টি উপেক্ষা করে অবস্থান ধর্মঘট ও অনশন অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষার্থীরা |

পোষ্য কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জোহা চত্বরে অনশন করছেন শিক্ষার্থীরা। ১৯ ঘণ্টা পার হলেও তারা বসে আছেন সেখানে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শর্তসাপেক্ষে পোষ্য কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে গতকাল বিকাল থেকে আমরণ অনশন করছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জোহা চত্বরে এই অনশন করছেন তারা। এরইমধ্যে ১৯ ঘণ্টা পার হয়ে গেছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

এদিকে অনশনরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুজন শিক্ষার্থী। তারা হলেন, সমাজকর্ম বিভাগের ২৪-২৫ সেশনের ইস্পাহানি ও আরবি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রমজানুল মোবারক। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে তুমুল বৃষ্টির মধ্যেও তাদেরকে অনশন করতে দেখা যায়। গতকাল বিকাল ৫টায় প্রথম এককভাবে অনশনে বসেন সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুল ইসলাম। এরপর তার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।

এ সময় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী সজিবুর রহমান বলেন, আমরা গতকাল রাত থেকে বসে আছি, রোদে পুড়ছি, বৃষ্টিতে ভিজছি, মশার কামড় খাচ্ছি। আমাদের শরীরের অবস্থা কী! তবুও কেউ আমাদের দেখতে আসেনি। আমাদের কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না, এখনো নেই। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আমি এখানে আছি এবং থাকব।

সমাজকর্ম বিভাগের ২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী সানজিদা বলেন, আমার ভাইয়েরা গতকাল থেকে বৃষ্টিতে ভিজছে, রোদে পুড়ছে, মশার কামড় খাচ্ছে—তাদেরকে দেখার মতো কেউ নেই। আমি বলতে চাই, প্রশাসনের নামে এই প্রহসন আর কতদিন চলবে? আমরা যেখানে ৬০-৬৫ পেয়ে ভর্তি হতে পারি না, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানেরা নামমাত্র পাশ নম্বর পেয়ে কীভাবে ভর্তি হয়?

বেলা একটার দিকে অনশনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা আমিরুল ইসলাম কনক। শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিতে গিয়ে নিজেও অনশনে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।