সব সময় সব খানে


মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬

১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬
১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে আমবোঝাই ট্রাক খাদে, ব্যবসায়ী নিহত

>> তাড়াশে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

>> বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে আর ফেরা হলো না সিয়ামের

>> খাল খনন শেষে বিপুল পরিমাণে টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসা কড়িয়েছেন দুই ইউএনও

>> হাতীবান্ধায় ফিলিং স্টেশনে মিলছে না পেট্রোল-অকটেন, কর্তৃপক্ষের দাবি ‘সরবরাহ বন্ধ’

>> বকশীগঞ্জে ২০০ অসহায় পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে জিআর চাল বিতরণ

>> সিরাজগঞ্জে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী গুরুতর আহত, ঢাকায় রেফার্ড

>> সিরাজগঞ্জে বাস চালককে জরিমানা করায় সড়ক অবরোধে বাজার স্টেশনে তীব্র যানজট

>> বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) অনুমতি ছাড়াই রায়গঞ্জে চলছে ‘মিনি পেট্রোল পাম্প

>> মাত্র এক হাজার টাকার বিরোধে যুবককে হত্যা মামলার মূল আসামি শাহীন গ্রেফতার

আপনি পড়ছেন : রাঙামাটি

অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনে ভারপ্রাপ্ত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেমলিয়ানা পাংখোয়া।


eshomoy.com || 2024-03-28
অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনে ভারপ্রাপ্ত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেমলিয়ানা পাংখোয়া।

রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলায় হাসপাতালের পাশে বসবাসরত অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করলেন ভারপ্রাপ্ত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেমলিয়ানা পাংখোয়া।


বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৯:০০ টায় পরিদর্শনের সময় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার সকলের সঙ্গে কথা বলেন, সান্ত্বনা দেন। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ও ক্ষয়ক্ষতি তালিকা নিরুপন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দ্দেশনা দেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন। 


এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরোত্তম তঞ্চঙ্গ্যা,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অভিলাষ তঞ্চঙ্গ্যা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, আতুমং মার্মা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সুকুমার চক্রবর্তী,সাধারণ সম্পাদক এসএম শাহীদুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


যাদের ঘর একেবারে পুরে গেছে এমন ক্ষতিগ্রস্থ পাঁচ পরিবার, আহ্নিক বা কিছু ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এমন ৬ পরিবার বলে জানা গেছে। ক্ষতির পরিমাণ অনুমানিক ৭৫ লক্ষ টাকা। গতকাল সন্ধ্যায় ৬:০০ টায় বিদ্যুৎতের শর্ট সার্কিট হতে আগুনের সূত্রপাত হলে সেনাবাহিনী, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি,রাজনৈতিক সংগঠন এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রায় দেড়ঘন্টায় আগুন নিভানো সম্ভব হয়েছে।


উল্লেখ্য যে, স্থানীয় ও সংশিষ্টরা জানান, উপজেলায় কোনো ফায়ায় সার্ভিস বা অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকার কারণে প্রতিবছর পুড়ে যায় বাজার এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকা ঘরবাড়ি। এর আগে পুড়ে গেছে কেংড়াছড়ি বাজার, বিলাইছড়ি বাজার, সম্প্রতি পুড়ে গেছে পাংখোয়া পাড়ার ঘরবাড়ি। উপজেলায় বিলাইছড়ি বাজার, কেংড়াছড়ি বাজার,ফারুয়া বাজার, ধূপ্যাচরএবং দীঘল ছড়ি এলাকা বেশ ঘনবসতিপূর্ণ। উপজেলাটি দূর্গম হওয়ায় আগুন লাগার সাথে সাথে জেলা সদর হতে উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস পৌছাঁতে সময় লাগে প্রায় ৩ ঘন্টা।ততক্ষণে পুঁড়ে আঙ্গার হয়ে যায়। তা-ই উপজেলায় অবশ্যই প্রয়োজন অগ্নিনির্বাপক ব্যাবস্থা ( স্টেশন)