হাজী কেরামত আলী ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা। শিক্ষার্থী ও এলাকার সাধারণ মানুষ গোলাম মোস্তফাকে সভাপতি চায়।
পটুয়াখালী গলাচিপা উপজেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ চর বিশ্বাস ও চর কাজল দ্বীপ অঞ্চল হয়েও শিক্ষার ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত হয়নি এখানকার শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার আলোতে আলোকিত উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত করে তুলছেন,কে আলী পরিবারের সদস্যরা বিশেষ করে আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা। তিনি শিক্ষার্থী ও এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সহযোগিতা করেছেন এবং দুটি ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রতিটি যায়গায় পরিবার ও তার অবদান রয়েছে।
বিশেষ করে চর বিশ্বাস ইউনিয়নের শিক্ষা ক্ষেত্রে গোলাম মোস্তফা ও পরিবারের সদস্যদের অবদান রয়েছে প্রাইমারি স্কুল,দাখিল মাদ্রাসা,হাফেজিয়া মাদ্রাসা,হাইস্কুল,কলেজ অর্থনৈতিক ভাবে সহায়তা করেছেন তিনি।
গলাচিপা উপজেলার বিচ্ছিন্ন দুটো দ্বীপের এলাকার সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে গোলাম মোস্তফা উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠশালা স্থাপন ও নামকরণ করেন হাজী কেরামত আলী ডিগ্রি কলেজ। এই হাজী কেরামত আলী ডিগ্রি কলেজ থেকে অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনার সুযোগ পেরেছে এখনো পাচ্ছে,ছাত্র জীবন থেকে শিক্ষা সমাপ্তি ঘটিয়ে। এখন অনেকে ব্যবসায়ী,শিক্ষক,চিকিৎসক,আইনজীবী,ইঞ্জিনিয়ার ও বিভিন্ন চাকরিজীবী।
হাজী কেরামত আলী ডিগ্রি কলেজ স্থাপিত দুই হাজার সালে ঐ বছরি পাঁচ জন শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু
হয়ে নতুন এক অধ্যায়। দ্বিতীয় বছর শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের বাসায় গিয়ে গিয়ে শিক্ষার্থী খোঁজে খোঁজে কলেজে আনার চেষ্টা করেন এবং ঐ বছরে ১০ জন শিক্ষার্থী ভর্তী হোন। এমন করতে করতে কয়েকবছর কেটে গেছে,এরপর আস্তে আস্তে শিক্ষার্থী বৃদ্ধি হতে থাকে। আর পিছনে ফিরতে হয়েনি কলেজ কতৃপক্ষের। এর পিছনে একমাত্র নাম কে আলী পরিবার।
কলেজ শিক্ষার্থী এলাকার সাধারণ মানুষ চায় কী..?
হাজী কেরামত আলী ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফাকে আজীবন এর জন্য হাজী কেরামত আলী ডিগ্রি কলেজের সভাপতি।
শিক্ষার্থী ও এলাকার মানুষের জোর দাবি হাজী কেরামত আলী ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফার নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা, এতে আগামী তরুণদের প্রজন্মে তাঁর অবদানকে স্মরণ করিতে পারে।