সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের নারাইন কুড়িঁ গ্রামের আব্দুল মতিন ও সাফিয়া বেগম দম্পতির সন্তান আব্দুল মজিদ।
তিনি একটি কওমি মাদ্রাসায় পড়ান।২০১৮ সাল থেকে নিজ আগ্রহ থেকে শুরু করেন ভিডিও তৈরি । সময় সুযোগের অভাবে পুরোপুরিভাবে যুক্ত হতে পারেননি তখন। তাই ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে শুরু করেন নতুন যাত্রা।
নিজেরই ইচ্ছা থেকেই জন্ম নেয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর হওয়ার।
ইতি মধ্যে কয়েকটি ভিডিও সারাফেলেছে নেটিজেনদের সামনে। এ নিয়ে বেশ তুল পাড়।অনেকেই করছেন ট্রল। তবে উনাকে নিয়ে যারা ট্রল করে, এতে কী উনার মন খারাপ হয়? এমন প্রশ্নে তিনি জানান,যারা আমার ভিডিও নিয়ে হাসাহাসি বা ট্রল করে তাদের ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই। তারা যত ট্রল, হাসাহাসি করবে আমি কাজে আরোও মন লাগাতে পারবো।
মন খারাপ হয়ে ছিল। কয়েকদিন রাস্তা ঘাটে বের হয় নি। খুব খারাপ লাগত।
তবে সব কিছু উপেক্ষা করে অটল বিশ্বাস রাখছেন নিজের প্রতি। চালিয়ে যাচ্ছেন ভিডিও তৈরি।ভিডিও তৈরিতে তিনি infinix play 11 ব্যবহার করেন।
আগে সেরকম ভালো করে ভিডিও ইডিট করতে পারতেন না। এখন নিজেই তৈরি করছেন টিউটোরিয়াল ভিডিও। উনি টিউটোরিয়াল ভিডিও তৈরি করতে বেশ স্বাচ্ছন্দবোদ করেন।
তিনি বলেন,ভিডিও এডিটিং শিখতে কারো সাহায্য নেই নি। ইউটিউব ইনস্টেগ্রাম থেকেই শিখেছি। আমি সব সময় ইন্ডিয়ান ও পাকিস্তানি এডিটর ফলো করি। আমার রিলস গুলো ইন্ডিয়ান কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মত। বাংলাদেশ এই ভাবে কেউ রিলস বানায় বলে আমার জানা নেই।
নতুন ভাইদের জন্যে একটাই কথা আগে যে কোন একটা বিষয়ের উপর হালকা স্কিল নিয়ে কাজ শুরু করুন। কে কি বলল ভুলেও কান দেওয়ার প্রয়োজন নাই। কারণ আপনার একটি মাত্র সফলতা সব সমালোচনার উচিৎ জবাব।
এখন ভিডিও তৈরি করে মোটামুটি উপার্জন করছেন। মজিদ আগামীর ভবিষ্যত পরিকল্পনা কী তা জানতে চাইলে উত্তরে বলেন,ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আগামী তিন বছর নিজের স্কিল কে এমন পর্যন্ত নেওয়া যাতে মানুষ ইচ্ছায় বাংলাদেশের বেষ্ট এডিটর মানে। গ্রামের মিনিমান SSC পাশ বেকার ছেলেদের এডিট শিখাবো। তাদের একটা ভালো ইনকামের ব্যবস্থা করে দিব, ইনশাআল্লাহ।