রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। সেই সঙ্গে দলটির নিবন্ধন ফিরিয়ে দিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। বিষয়টি বিবেচনার জন্য ইসিকে বলা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে হাইকোর্ট জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করেছিল। এক যুগ পর সেই রায় বাতিল করল আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারকের বেঞ্চ রোববার এই রায় দেন। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন—বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জোবায়ের রহমান চৌধুরী এবং বিচারপতি মো. রেজাউল হক।
রোববার মামলাটি কার্যতালিকার এক নম্বরে ছিল। ১৪ মে আপিল শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।
এই রায়ের মধ্য দিয়ে জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘদিন পর ভোটের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ পেল। এমনকি দলীয় প্রতীক নিয়ে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথও খুলে গেল।
জামায়াতকে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট করা হয়েছিল। সেই রিটের চূড়ান্ত শুনানির ভিত্তিতে হাইকোর্ট ২০১৩ সালের ১ আগস্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে। একইসঙ্গে আপিলের অনুমতি দেয় আদালত, যা একই বছর আপিলে রূপান্তরিত হয়। এরপর জামায়াত নিয়মিত লিভ টু আপিল করে।
উল্লেখ্য, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০২৩ সালের ১ আগস্ট জামায়াতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল।
জেএইচ/ইডি