গোপালগঞ্জের NCP কর্মসূচির সময় বুধবার (১৬–১৭ জুলাই ২০২৫) আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হামলা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় মোট পাঁচ জন নিহত হন । তাদের মধ্যে চারজনকে মিডিয়ায় সরাসরি লাইভ দেখানো হয়, এবং পরিবারের অনিচ্ছার কারণে তাঁদের মরদেহ ময়নাতদন্ত না করেই দাফন বা শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয় । ঢাকায় প্রেরিত এক ব্যক্তির মৃত্যুর (রমজান মুন্সী) ময়নাতদন্ত করা হয়েছে ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মরদেহГার্ডে রাখা আছে ।
উল্লেখযোগ্য তথ্যসমূহ:
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী শনিবার (১৯ জুলাই ২০২৫) শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের জানান, গোপালগঞ্জে কিছু মৃতদেহ পরিবারের সদস্যদের দেওয়া হয়েছিল, যার কারণে সেগুলো ময়নাতদন্ত হয়নি। তবে প্রয়োজনে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে তা পুনরায় ময়নাতদন্ত করা যাবে ।
তিনি আরও বলেন, “ময়নাতদন্ত, ঢাকার যেটা আছে, সেটার ময়নাতদন্ত হচ্ছে। আর কয়েকটা ডেডবডি তারা নিজেরা নিয়ে চলে গেছে… প্রয়োজন হলে মেয়নাতদন্ত করা হবে।”
তার বক্তব্য অনুযায়ী, গোপালগঞ্জে নিহতদের লাশ ‘কয়েকজন’ পরিবারের হাতে চলে যাওয়ায় তখন ময়নাতদন্ত সম্ভব হয়নি। তবে প্রয়োজন ভলেই ঢাকার সাথে সঙ্গে সাযুযদ্ধভাবে কবর থেকে লাশ উত্তোলনে কমিটিই কাজ করবে ।
গভীর তদন্তে ঘাটতি বা প্রশাসনের দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে একটি উচ্চ-পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে ।
এছাড়া, পুলিশ অনানুষ্ঠানিকভাবে অন্তত তিনটি মরদেহ উত্তোলনের জন্য আদালতের অনুমতি চাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ।