চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১৫ জন প্রার্থীর নাম ইতিমধ্যে শোনা যাচ্ছে। এদের মধ্যে ১৪ জনই আওয়ামী লীগের। তারা উপজেলা ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে রয়েছেন। কেউ কেউ আবার সাবেক হয়েছেন। এর মধ্যে একজন সাংবাদিকেরও প্রার্থী হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ-‘ক্ষমতায় আসার নিশ্চয়তা না পেয়ে নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপি’
তবে ভোটের মাঠে নেই বিএনপিসহ অন্যরা। উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইছহাক চৌধুরী। তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্ত হলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা।
যদি কেউ সেই নির্দেশ অমান্য করে নির্বাচন করে তাহলে তার ব্যাপারে দলের নেতৃবৃন্দ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। আগামী মার্চে অনুষ্ঠিত হতে পারে বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাচন। এবার উপজেলা নির্বাচনে নৌকা প্রতীক থাকবে না আওয়ামী লীগের। প্রতীক না থাকায় যে যার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন বলে মনে করছেন বোয়ালখালীবাসী। ২০২২ সালের ২০ ডিসেম্বর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. নুরুল আলম মারা গেলে পদটি শূন্য হয়।
শূন্য পদে ২০২৩ সালের ১৬ মার্চ উপনির্বাচন হয়। নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ৩০ হাজার ৯৮৪ ভোট পেয়ে রেজাউল করিম রাজা নির্বাচিত হন। এবার বোয়ালখালীতে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে যারা আলোচনায় আছেন তারা হলেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল বশর, উপজেলার বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান এস এম সেলিম, বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নুরুল আমিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান রেজাউল করিম রাজা,
আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মুহাম্মদ আবু ইছা, সারোয়াতলী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন, মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মনছুর আলম পাপ্পী, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শফিউল আলম শফি,
আরও পড়ুনঃজাতীয় পার্টি থেকে জিএম কাদের ও চুন্নুকে অব্যাহতি
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আবদুল কাদের সুজন, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের পরিচালক ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ জাহেদুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম বাবুল,
উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবদুল মান্নান রানা, সাংবাদিক কাজী আয়েশা ফারজানা ও বোয়ালখালী উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান শাহাজাদা এস এম মিজানুর রহমান। দলীয় প্রতীক না থাকায় প্রার্থীর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনীতিবিদরা। এতে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে এবং ভোটারের উপস্থিতি বাড়বে বলেও তারা মনে করছেন।