সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

পাঁচ বছর ধরে যৌন নির্যাতন ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ,১৮ বছরের এক তরুণী

কেরালায় দলিত কিশোরীকে ৫ বছর ধরে ধর্ষণ করে ৬০ জন


মোঃ মামুন , ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-02-23
পাঁচ বছর ধরে যৌন নির্যাতন ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ,১৮ বছরের এক তরুণী
প্রতীকী ছবি

ভারতের কেরালা রাজ্যের দলিত সম্প্রদায়ের ১৮ বছরের এক তরুণী পাঁচ বছর ধরে যৌন নির্যাতন ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্তত ৬০ জন পুরুষ তাঁকে পৃথকভাবে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। অভিযোগ অনুসারে, প্রতিবেশী এক পুরুষ তাঁকে যৌন নির্যাতন ও এর ভিডিও ধারণ করেন এবং সেই ভিডিও ব্যবহার করে তাঁকে অন্য পুরুষদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মধ্যে কিশোর থেকে শুরু করে ৪০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষও আছে।

ঘটনার সূত্রপাত পাঁচ বছর আগে, যখন মেয়েটির বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর। সে সময় ওই কিশোরীর এক প্রতিবেশী যুবক তাঁকে যৌন নির্যাতন ও ভিডিও ধারণ করেন। কিশোরীর অভিযোগ, সেই ভিডিও ব্যবহার করে তাঁকে ব্ল্যাকমেল করা হয় এবং পরে গ্রামের অন্যান্য পুরুষ ও ছেলেরা তাঁকে নির্যাতন করেন। মেয়েটির বয়স এখন ১৮ বছর। তিনি কেরালার একটি কলেজের শিক্ষার্থী। সম্প্রতি একজন ইন্সপেক্টর কলেজ পরিদর্শনে গেলে তাঁর কাছেই বিষয়টি তুলে ধরেন মেয়েটি। ইন্সপেক্টরের কাছে মেয়েটি জানিয়েছেন, কিছু অভিযুক্ত একা তাঁকে নির্যাতন করেছে, আবার অনেকে সংঘবদ্ধভাবে তাঁকে ধর্ষণ করেছে। এমনকি কয়েকজন তাঁকে গ্রামের বাইরে নিয়ে গিয়েও নির্যাতন করেছে। এ ঘটনায় কেরালা পুলিশ এখন পর্যন্ত ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে মেয়েটির সহপাঠী, আত্মীয়, প্রতিবেশী এবং অপরিচিত পুরুষও আছেন। পুলিশের মতে, অন্তত তিনজন নির্যাতক মেয়েটিকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। একজন হুমকি দিয়েছিলেন যে, তিনি যদি নির্যাতনের বিষয়ে কাউকে জানান, তবে তাঁকে হত্যা করা হবে। উপ-মহাপরিদর্শক অজিতা বেগম জানান, মেয়েটিকে একটি নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁকে সব ধরনের পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মেয়েটির পরিবারকেও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ এ ঘটনা তদন্তে সর্বোচ্চ পরিমাণে লোকবল মাঠে নামিয়েছে। তবে মামলাটি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেষ হওয়ার জন্য কয়েক বছর লাগতে পারে। দলিতরা ভারতের হিন্দু জাতিগত কাঠামোর নিম্নস্তরে এবং প্রায়শই নির্যাতনের শিকার হয়। জাতিগত বৈষম্য ও দারিদ্র্যের কারণে তাদের জন্য ন্যায়বিচার পাওয়া কঠিন।  যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড হলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড জেন্ডার জাস্টিসের অধ্যাপক মধুমিতা পাণ্ডে বলেন, এ ধরনের কলোনির মতো ‘নিবিড় সম্প্রদায়’ প্রকৃতির কারণে কিশোরীটির নির্যাতন যখন প্রথম ঘটে, তখনই সামনে আসতে পারেনি। কারণ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযুক্তরা প্রায়ই নির্যাতিতার বন্ধু, আত্মীয় বা প্রতিবেশী কেউ হয়।

এ ঘটনা ভারতের দলিত সম্প্রদায়ের নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা ও জাতিগত বৈষম্যের এক ভয়াবহ উদাহরণ। মেয়েটির সাহসী পদক্ষেপ এবং পুলিশের তদন্ত আশা জাগাচ্ছে যে, এই মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। তবে