সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

বিমানে পাশের সিটে রাখা হলো মরদেহ, হতবাক যাত্রী


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-02-26
বিমানে পাশের সিটে রাখা হলো মরদেহ, হতবাক যাত্রী
ছবিসূত্র: এএফপি

অস্ট্রেলিয়ান এক দম্পতি ছুটি কাটাতে ভেনিসে যাচ্ছিলেন। মেলবোর্ন থেকে দোহাগামী কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইটের সময় মিচেল রিং এবং তার সঙ্গী জেনিফার কলিনের পাশের নারী যাত্রী করিডোরে হঠাৎ পড়ে যান। ক্রুরা ওই নারীর জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তাকে বাঁচানো যায়নি।

ওই দম্পতি সিএনএন-এর সহযোগী নাইন নেটওয়ার্ককে ঘটনা জানিয়েছেন। মিচেল রিং বলেন, ‘ঘটনাটি বেশ হৃদয়বিদারক ছিল।’ কিন্তু এরপর মিচেল রিং তার সঙ্গে ঘটে ঘটনায় হতবাক হয়ে যান বলে জানান।

সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রুরা মরদেহটিকে বিজনেস ক্লাস সেকশনের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু সংকীর্ণ করিডোরের কারণে লাশ সরাতে পারেননি বলে রিং জানান।

রিং বলেন, ‘ক্রুরা এ ঘটনায় কিছুটা হতাশ পড়েন এবং এক পর্যায়ে তারা কেবল আমার দিকে তাকাচ্ছিল। তা আমার পাশে আসন খালি দেখতে পেল। আমাকে তখন শুধু বলল, ‘আপনি কি দয়া করে সরে যেতে পারেন?’। আমি উত্তর দিলাম ‘হ্যাঁ, কোনো সমস্যা নেই এবং তারপরেই ওই নারীর লাশটি আমার পাশের আসনে বসিয়ে দিল।

’রিং জানান, বিমানে অন্যান্য আসন খালি থাকা সত্ত্বেও রিং ফ্লাইটের প্রায় চার ঘন্টা ধরে ওই মরদেহের পাশে বসে ছিলেন। রিং এর সঙ্গী জেনিফার কলিন বলেন, ‘আমি সত্যিই হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম।’ অভিজ্ঞতাটিকে ‘বেদনাদায়ক’ বলে অভিহিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা বুঝতে পেরেছি ওই হতভাগ্য নারীর মৃত্যুতে বিমান সংস্থা দায়ি নয়, তবে বিমানে থাকা গ্রাহকদের দেখাশোনার জন্য একটি প্রোটোকল থাকা উচিত।’

বিমানটি অবতরণের পর রিং জানিয়েছে, উড়োজাহাজের যে অংশে মরদেহ ছিল ওই অংশের যাত্রীদের অ্যাম্বুলেন্স কর্মী এবং পুলিশ অফিসাররা না আসা পর্যন্ত সেখানে থাকতে বলা হয়েছিল। তারা আসলে মরদেহটি সরানো হবে। কিন্তু রিং বিশ্বাস করতে পারছিল না যে, তারা যাত্রীদের থাকতে বলছে। অ্যাম্বুলেন্স কর্মীরা লাশের ওপর থেকে কম্বলটি যখন সরিয়ে নিয়েছিল তখনও রিং সেখানে ছিলেন।

ওই দম্পতি বলেন, বিমান সংস্থা তাদের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করেনি। কিন্তু এটা তাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তারা আশা করেছিলেন যে, বিমান সংস্থা কাউন্সেলিং সহায়তা প্রদান করবে। কোয়ান্টাস এয়ারওয়েজ এর মাধ্যমে ওই দম্পতি তাদের টিকিট কিনেছিলেন। তারা জানায়, তারা কলিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছে। এদিকে, রিং এবং কলিন বিষয়টি হজমের চেষ্টা করছেন।