জুলাই বিপ্লবের পর ভারত থেকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর ঘটনা বেড়েই চলছে। এবার মরার উপর খাড়ার ঘা দিতে বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) গঠন করল পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা।
বাংলাদেশ ও ত্রিপুরার মধ্যে ৮৫৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্তে বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গাদের অনুসন্ধান ও চিহ্নিত করে তাড়িয়ে দিতে এবং সকল প্রকার অনুপ্রবেশ ঠেকাতে জেলা গোয়েন্দা বিভাগের ডেপুটি পুলিশ সুপার দেবাশীষ সাহাকে প্রধান করে পনেরো সদস্যবিশিষ্ট টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। জেলার প্রত্যেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত টাস্কফোর্সে যুক্ত থাকবেন বলে এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
রাজ্যে বিজেপির প্রধান মিত্র, তিপ্রা মোথা পার্টি (টিএমপি) অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত, আটক ও তাড়িয়ে দেয়ার ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশ কঠোরভাবে পালনের দাবি জানিয়ে আসছে।
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেছেন, "অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ টাস্কফোর্সটি গঠন করা হয়েছে, যদিও ত্রিপুরায় প্রবেশের সংখ্যা কমে আসছে।"
এর আগে তিপ্রা মোথা পার্টি প্রধান প্রদ্যোত বিক্রম মাণিক্য দেববর্মা বলেন, অনুপ্রবেশ রাজ্যের আদিবাসী বিশেষ করে উপজাতিদের রীতিনীতি ও সামাজিক উন্নয়নের উপর প্রভাব ফেলবে।
উল্লেখ্য সেভেন সিস্টার্স এর মধ্যে অনুপ্রবেশকারীদের গ্রেফতারে শীর্ষ রাজ্যগুলোর একটি হচ্ছে ত্রিপুরা।
সূত্র: এনডিটিভি ও নর্থইস্ট লাইভ টিভি ১৯ জুলাই