পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অনুপ্রবেশবিরোধী অভিযান, যা ৭ আগস্ট রাতে শুরু হয়েছিল, তাতে সোমবার (১১ আগস্ট) পর্যন্ত ৫০ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে 'দ্যা ডন"।
অনুসন্ধানে জানা যায়,ভারতীয় দালাল বা অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে চালানো এই অভিযান মূলত বালুচ বিদ্রোহীদের দমনে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি অপকৌশল বিশেষ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বালুচ লিবারেশন আর্মি ও মজীদ ব্রিগেডকে ভিনদেশী সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে।
সেনাবাহিনী পুনরায় নিশ্চিত করেছে, “নিরাপত্তা বাহিনী জাতির সীমান্ত সুরক্ষায় এবং পাকিস্তানের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতিকে ব্যাহত করার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
মাত্র এক দিন আগে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর নিষিদ্ধ ঘোষিত তথাকথিত বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি ও এর যুদ্ধ শাখা মজীদ ব্রিগেডকে ভিনদেশী সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নেওয়া এই পদক্ষেপ সন্ত্রাসবিরোধী অঙ্গীকারের প্রমাণ এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের শক্তিশালী বার্তা।
২০২২ সালের নভেম্বরে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করার পর, বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৫ সালের গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স অনুযায়ী পাকিস্তান দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। সেখানে গত এক বছরে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা ৪৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,০৮১ জনে।