সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

২২ বছরে ১১ স্বামীকে হত্যা, যেভাবে ধরা পড়লেন ইরানি নারী


মোঃ নাজমুল ইসলাম

eshomoy.com || 2025-08-14
২২ বছরে ১১ স্বামীকে হত্যা, যেভাবে ধরা পড়লেন ইরানি নারী
সংগৃহীত

তার নাম কুলসুম আকবরি। তিনি ইরানের বাসিন্দা। সম্পত্তির লোভে ২২ বছরে অন্তত ১১ জন স্বামীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে এই নারীর বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি ইরানজুড়ে নারী সিরিয়াল কিলার হিসেবে পরিচিত। ৫৬ বছর বয়সি এই নারীকে দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ করছেন দেশটির নাগরিকরা। খবর গালফ নিউজ ও দ্য টেলিগ্রাফের।


অভিযোগ অনুযায়ী, কুলসুম ২০০০ সাল থেকে পরিকল্পিতভাবে বৃদ্ধ ও বিত্তশালী অবিবাহিত বা বিপত্নীক পুরুষদের খুঁজে বের করতেন। তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে বিয়ে করে, ভুলিয়ে-ভালিয়ে সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নিতেন। এরপর বিষ, মাদক বা ভুল ওষুধ খাইয়ে ধীরে ধীরে অথবা হঠাৎ করেই তাদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতেন। ইরানে তাকে এখন ডাকা হচ্ছে ‘ব্ল্যাক উইডো’ নামে।

পুলিশের ধারণা, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি অন্তত ১১ জন স্বামীকে হত্যা করেছেন, যদিও প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। একেকজনের মৃত্যু হৃদরোগ বা শারীরিক জটিলতা হিসেবে ধরা পড়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়নি। মৃত্যুর পর কুলসুম কৌশলে সম্পত্তি দখল করতেন এবং নতুন শিকারের খোঁজে বেরিয়ে পড়তেন।


২০২৩ সালে শেষ স্বামী গোলামরেজা বাবাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যুর পর বিষয়টি ফাঁস হয়। বাবাইয়ের ছেলে পুলিশে অভিযোগ করলে তদন্তে বেরিয়ে আসে কুলসুমের অতীত কুকীর্তি। এমনকি ২০২০ সালে বিষ খাইয়ে হত্যাচেষ্টা ব্যর্থ হওয়া এক স্বামীও বেঁচে গিয়ে পুলিশের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেন।

গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে কুলসুম অপরাধ স্বীকার করেন এবং ইঙ্গিত দেন, নিহত স্বামীর সংখ্যা ১১-এর চেয়েও বেশি হতে পারে। এ ঘটনার পর ইরানের জনতা ও নিহতদের পরিবার দ্রুত তার ফাঁসির দাবি জানায়।


তবে আদালতে কুলসুমের আইনজীবীরা তার মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার আবেদন জানিয়েছেন, যা নিহতদের পরিবার দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, কুলসুম ঠান্ডা মাথায়, সম্পূর্ণ সচেতন অবস্থায় এসব হত্যা করেছেন। মামলার রায় এখনও ঘোষণা হয়নি, তবে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।