সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

স্কুলের ক্লাসরুমে যুদ্ধের পাঠ দিচ্ছে রাশিয়া


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-08-23
স্কুলের ক্লাসরুমে যুদ্ধের পাঠ দিচ্ছে রাশিয়া
ডন কসাক ক্যাডেট স্কুলের ছাত্ররা এবং কসাক সম্প্রদায়ের সদস্যরা, রাশিয়ার রোস্তভ অঞ্চলে সামরিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।

চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ রাশিয়ায় স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সামরিক প্রশিক্ষণের মহড়া হয়েছে। এতে ৮৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন যাদের বয়স ৮-১৭ বছর বয়সের মধ্যে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ডন নদীর তীরে ওই ‘রুট মার্চ’ আয়োজন করেন সামরিক প্রশিক্ষকরা। এ সময় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা পর্যায়ক্রমে বালি এবং অগভীর জলের মধ্য দিয়ে সাতঁরানো এবং হামাগুড়ি দেয়া শিখছিল।

ইউক্রেনের যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সৈন্যদের তত্ত্বাবধানে এই মহড়াটি রাশিয়ায় একটি বিস্তৃত প্রবণতার অংশ। যেখানে ছোট বাচ্চাদেরও সামরিক পরিষেবার জন্য দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

সবচেয়ে স্মরণীয় অংশ কোনটি ছিল জানতে চাইলে, ৮ বছর বয়সী সবচেয়ে কম বয়সী অংশগ্রহণকারীদের একজন, ইভান গ্লুশচেঙ্কো তাৎক্ষণিকভাবে উত্তর দেয়।

সে বলে, ‘আমরা হ্যান্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছি এবং ডামি গুলি চালিয়েছি।’ মহড়ায় অংশ নেয়া শিশুরা ইউক্রেনের সীমান্তের কাছে রোস্তভ অঞ্চলে কসাকদের পরিচালিত ক্যাডেট দলের একটি অংশ ছিল।

তুলনামূলক বড় একজন শিক্ষার্থী অ্যান্টন বলেন, ‘জানতে চান আমি এখানে কেন? কারণ আমি আমার ভবিষ্যৎকে সামরিক পরিষেবার সাথে সংযুক্ত করতে চাই। (আমি চাই) আমার দেশের সেবা করতে এবং শেষ পর্যন্ত আমার উদ্দেশ্যের প্রতি অনুগত থাকতে।’

আরেকজন তার নাম ডেভিড, বলেছেন, ‘রুট মার্চ তাকে তার নিজের সীমা পরীক্ষা করতে সক্ষম করেছে। এটি আমাকে আমার ইচ্ছাশক্তি কতটা শক্তিশালী তা খুঁজে বের করার সুযোগ দিয়েছে।’

এদিকে, স্বাধীন শিশু অধিকার সংস্থা ‘নে নরমার’ মতে, তরুণদের সেনাবাহিনীর মতো প্রশিক্ষণ দেয়া এবং স্কুলে অস্ত্র পরিচালনা এবং সামরিক ড্রোন তৈরি শেখানো এক ধরনের মতবাদ এবং প্রচারণা।

তবে, রাশিয়ান কর্তৃপক্ষের দাবি এই ধরনের শিক্ষা সুস্থ দেশপ্রেম জাগিয়ে তোলে।

রোস্তভের প্রশিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন আলেকজান্ডার শোপিন, একজন রাশিয়ান সৈনিক যিনি ইউক্রেনে আহত হয়ে অস্ত্রোপচারের অপেক্ষায় ছিলেন।

শোপিন বলেন, এই রুট মার্চে আমি প্রথমবার অংশ নিইনি। আমার ভালো লাগে শিশুদের কাছে আমার অভিজ্ঞতা পৌঁছে দিতে। আপনি দেখতে পাচ্ছেন কিভাবে একটি পরিবারের কনসেপ্ট তাদের মধ্য থেকে তৈরি হয়। 

 

আরেক প্রশিক্ষক ভ্লাদিমির ইয়ানেনকো বলেন, শিশুরা অভিজ্ঞতা থেকে বোঝাপড়া এবং জ্ঞান অর্জন করেছে।