ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে উত্তর প্রদেশের কানপুরের ঋষিকেশ নামে ২২ বছর বয়সী এক যুবককে তাঁর বন্ধুদের একটি দল নৃশংসভাবে হত্যা ও শিরশ্ছেদ করেছে। অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিলেন পবন মাল্লাহ নামে এক বন্ধু, যিনি ঋষিকেশের সাথে তার বোনের সম্পর্কের কথা জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন।
শুক্রবার (২৯শে আগস্ট) গণেশ চতুর্থী প্যান্ডেলে যাওয়ার ভান করে বন্ধুরা ঋষিকেশকে তাঁর বাড়ি থেকে বের করে নেয়। তাঁকে নির্জন কাকোরি জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং হাত পা বেঁধে হত্যা করা হয়। কেউ যাতে শনাক্ত করতে না পারে সেজন্য তাঁর শিরশ্ছেদ করা হয়। এরপর হামলাকারীরা ক্ষতবিক্ষত লাশ জাজমৌ সেতুর কাছে গঙ্গা নদীতে ফেলে দেয়- জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
রবিবার (৩১ আগস্ট) নিহতের ভাই ঋষিকেশের নিখোঁজ হওয়ার খবর জানায়। পুলিশের অনুসন্ধানে নদীর তীরে তাঁর মাথাবিহীন দেহ পাওয়া যায় এবং একটি ট্যাটু এবং একটি পবিত্র সুতোর সাহায্যে তাঁকে শনাক্ত করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ইতিমধ্যে চার সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রধান অভিযুক্ত পবন মাল্লাহ সহ আরও চারজন পলাতক।