সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

ভারতে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে মস্তিষ্ক-খেকো - অ্যামিবা, মৃত্যু ১৭


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-09-15
ভারতে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে মস্তিষ্ক-খেকো - অ্যামিবা, মৃত্যু ১৭
প্রতীকী ছবি।

ভারতের কেরালা রাজ্যে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে মস্তিষ্ক-খেকো অ্যামিবার দাপট। এই অ্যামিবার আক্রমণে রাজ্যটিতে বিগত নয় মাসে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের।  এর মধ্যে মধ্যে সেপ্টেম্বরেই মারা গেছে সাতজন। 

রাজ্যের কোঝিকোড়, কান্নুপুর এবং মালাপ্পুরমে রোগের দাপট সবচেয়ে বেশি। কোঝিকোড়ে গত মাসেও মারা গেছে তিনজন। তাদের মধ্যে রয়েছে- তিন মাসের শিশু, নয় বছরের কিশোরী এবং ৫২ বছরের নারীও। ২০২৫ সালে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাজ্যটিতে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৫২ জন। তাদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ১৯ জন নারী। 

কিন্তু এই রোগের উৎস কী ? ভাইরাসের মতো কি এই মস্তিষ্ক-খেকো অ্যামিবাও ছড়িয়ে পড়তে পারে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায়? বিষয়টা ভাবাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। 

মস্তিষ্ক-খেকো অ্যামিবা আসলে কী?

কোঝিকোড় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রবি শঙ্করের মতে, এই অ্যামিবা নাক দিয়ে মস্তিষ্কে পৌঁছায় ।  ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে এই রোগের পরিণতি মৃত্যু। তবে সতর্ক থাকলে এই রোগ প্রতিরোধ করা যেতে পারে। 

কেরালার আবহাওয়া উষ্ণ। বিশেষত জলাশয় থেকেই এই রোগের উৎপত্তি। বৈজ্ঞানিক ভাষায় একে নেগেলেরিয়া ফাওলেরি (Naegleria fowleri)  বলা হয়। ডা. শঙ্করের মতে, অ্যামিবা নিজেই মানুষকে আক্রমণ করে না। তবে যেখানকার পানিতে অ্যামিবা রয়েছে, সেখানে যদি কেউ স্নান করে বা সাঁতার কাটতে গিয়ে নাকের ভিতরে পানিতে ঢুকে যায়, তখন অ্যামিবা নাকের টিস্যু থেকে মস্তিষ্কে পৌঁছায়। সেখানে  মেনিনজাইটিসের মতো রোগের সৃষ্টি করে।   

এই রোগ কতটা বিপজ্জনক?

ডা. শঙ্করের মতে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে মারাত্মক সংক্রমণগুলোর মধ্যে একটি। সংক্রমণের ১ থেকে ৯ দিনের মধ্যে লক্ষণগুলো দেখা দিতে শুরু করে। প্রাথমিকভাবে, মাথাব্যথা, জ্বর, বমিভাব এবং বমির মতো সাধারণ ফ্লুর লক্ষণ দেখা যায়। তবে শিগগিরই দেখা যায় রোগীর ঘাড় শক্ত হয়ে যায়।  এর পরে নানারকম বিভ্রান্তি দেখা দিতে শুরু করে। খিঁচুনি হতে পারে। রোগী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যায়। যদি সময়মতো চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে পাঁচদিনের মধ্যে মৃত্যু ঘটে। এই  ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত।  

কেরালাতেই মৃত্যু কেন বেশি?

কেরালার স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালে ৩৬টি মস্তিষ্ক-খেকো অ্যামিবা আক্রমণের কেস নথিভুক্ত হয়েছিল। তাতে নয়জনের মৃত্যু হয়েছিল।  ২০২৫ সালে সংখ্যাটা দ্বিগুণ হয়েছে। এর কারণ হল উষ্ণতা বৃদ্ধি , দূষণ এবং জলাশয়গুলোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব।  প্রকৃতপক্ষে গিয়েছে, কোঝিকোড় এবং মালাপ্পুরমের পুকুরের পানি খুব নোংরা।  

ডা. শঙ্করের মতে, এই বছর তার হাসপাতালে আসা ১৫ জন রোগীর মধ্যে পাঁচজনই মারা গেছেন। তবে, দুই রোগীর প্রাণ রক্ষা করা গিয়েছে । কারণ তাদের সমস্যাটি মস্তিষ্কে পৌঁছতে পারেনি।  এখন ওই রাজ্যের সরকার পুকুরগুলোর পানি পরীক