সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

মিয়ানমারের বিরল খনিজ কি চীন-ভারত-যুক্তরাষ্ট্র ত্রিমুখী লড়াইয়ের ক্ষেত্র হচ্ছে?


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-09-27
মিয়ানমারের বিরল খনিজ কি চীন-ভারত-যুক্তরাষ্ট্র ত্রিমুখী লড়াইয়ের ক্ষেত্র হচ্ছে?
ছবি: সংগৃহীত

২১শ শতকের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার মূল হাতিয়ার হচ্ছে প্রযুক্তি। আর প্রযুক্তিকে সচল রাখে রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস বা বিরল খনিজ ধাতু। ১৭টি ধাতুর এই গ্রুপ ছাড়া আধুনিক অর্থনীতি কার্যত অসম্ভব। ডিসপ্রসিয়াম ও টার্বিয়ামের মতো ভারী চুম্বক তৈরি করে বৈদ্যুতিক মোটর, সেমিকন্ডাক্টর, রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র, স্মার্টফোন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, ‘যার হাতে রেয়ার আর্থ, তার হাতেই ভবিষ্যতের প্রযুক্তির চাবিকাঠি।’

চীন বর্তমানে বিশ্বের রেয়ার আর্থ উত্তোলনের প্রায় ৭০ শতাংশ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের ৯০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এ ছাড়া বৈশ্বিক চুম্বক উৎপাদনের প্রায় পুরোটা বেইজিংয়ের দখলে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ইউরোপ ও ভারত চীনের ওপর অত্যধিক নির্ভরশীল।

চীন শুধু রপ্তানি নয়, বরং রপ্তানির শর্তও ব্যবহার করছে কূটনৈতিক অস্ত্র হিসেবে। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে তারা হঠাৎ করে বিরল খনিজ ও চুম্বক রপ্তানি বন্ধ করে দিলে ভারতের বৈদ্যুতিক গাড়ি ও প্রতিরক্ষা শিল্পে তাৎক্ষণিক সংকট দেখা দেয়।

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের কাচিন রাজ্যের চিপওয়ে-পাংওয়া খনি অঞ্চলের রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ হেভি রেয়ার আর্থ মজুত। ২০২৪ সালে এটি দখল করে নেয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী কাচিন ইনডিপেনডেন্ট আর্মি (কেআইএ)।

১৯৬১ সালে কাচিন জনগোষ্ঠীর স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে গঠিত হয় কেআইএ। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর তারা জান্তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধে প্রধান শক্তি হয়ে ওঠে। এখন তাদের হাতে থাকা খনিগুলো শুধু অর্থনৈতিক সম্পদই নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার।

চীনের ইউনান প্রদেশের নিকটবর্তী হওয়ায় এ খনিজ সহজেই চীনে প্রবাহিত হয়। কিন্তু ভারত বা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি লজিস্টিক মায়া।

বহুদিন ধরে ভারত Act East Policy-র মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রভাব বাড়াতে চাইছে। মিয়ানমার এই নীতির কেন্দ্রবিন্দু।

রয়টার্সের অনুসন্ধানে জানা যায়, ভারতের খনি মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রায়ত্ত IREL ও বেসরকারি Midwest Advanced Materials-কে কাচিন থেকে খনিজ নমুনা সংগ্রহে নির্দেশ দিয়েছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ভারতের জন্য বিরল ঘটনা হলেও, তারা চীনের একচেটিয়া দখল ভাঙতে অস্বাভাবিক পথেও হাঁটছে।

কিন্তু ভারতের সমস্যা হলো, হেভি রেয়ার আর্থ প্রক্রিয়াজাত করার প্রযুক্তি ও অবকাঠামো নেই। এ জন্য তারা জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের চেষ্টা করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য আরও বিস্তৃত। তারা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব ঠেকাতে চাইছে। এর অংশ হিসেবেই মিয়ানমারের খনিজে তাদের আগ্রহ। ট্রাম্প প্রশাসন থেকেই মার্কিন কর্মকর্তারা মিয়ানমারের রেয়ার আর্থ নিয়ে প্রস্তাব শুনেছেন। এখন তারা ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে একটি বিকল্প সরবরাহ শৃঙ্খল গড়তে চাইছে। এই উদ্যোগ কার্যকর হলে চীনের একচেটিয়া দখল নড়বড়ে হবে।

চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে (BRI) মিয়ানমারের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক। মিয়ানমার হয়ে বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারে চীন, যা