সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

অসহনীয় হয়ে উঠেছে ৩০ লাখ ফিলিস্তিনির জীবন


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-10-08
অসহনীয় হয়ে উঠেছে ৩০ লাখ ফিলিস্তিনির জীবন
প্রতিবাদে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন পশ্চিম তীরের বাসিন্দা অ্যালিস কিসিয়া (ডানে), যার পারিবারিক জমি দখল করেছে সশস্ত্র ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকেই বিশ্বের মনোযোগ মূলত গাজার দিকে নিবদ্ধ। সেদিন দক্ষিণ ইসরাইলে হামাস-নেতৃত্বাধীন হামলায় প্রায় ১,২০০ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই ইসরাইলি। এর পরই গাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। গত দুই বছরের ইসরাইলি হামলায় অবরুদ্ধ উপত্যকায় ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

কিন্তু একই সময়ে অনেক কমই আলোচিত হয়েছে ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত পশ্চিম তীর—যে ভূখণ্ডটি ১৯৬৭ সাল থেকে ইসরাইল দখল করে রেখেছে। অথচ ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের আগে এবং তারপরেও পশ্চিম তীরে গুরুত্বপূর্ণ অনেক ঘটনা ঘটে গেছে।

গত দুই বছরে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ভয়াবহভাবে বেড়েছে। জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয় দপ্তর (ওসিএইচএ) জানাচ্ছে, শুধু চলতি বছরেই এখন পর্যন্ত ইসরাইলি সেনারা পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি শহর ও গ্রামে প্রায় ৭,৫০০ বার অভিযান চালিয়েছে।

পশ্চিম তীরে আসলে কী কী ঘটছে- মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে তার সারসংক্ষেপ তুলে ধরেছে লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই।

পশ্চিম তীর কোথায়?

পশ্চিম তীর হলো ৫,৬৬৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি স্থলবেষ্টিত এলাকা, যা জর্ডান নদীর পশ্চিমে এবং ইসরাইলের পূর্ব পাশে অবস্থিত। এটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত গাজার আয়তনের চেয়ে প্রায় ১৫ গুণ বড়। প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি এখানে বসবাস করে, যাদের মধ্যে ৯ লাখেরও বেশি শরণার্থী। অন্যদিকে ফিলিস্তিনিদের জায়গা-জমি ও বাড়িঘর দখল করে বাস করছে প্রায় ৭ লাখ ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী।

যে কারণে প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনিকে থাকতে হচ্ছে ১৯টি শরণার্থী শিবিরে, যাদের বেশিরভাগই ১৯৪৮ সালের নাকবা ও পরবর্তী যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের বংশধর।

৭ অক্টোবরের আগে কেমন ছিল পশ্চিম তীর?

১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধের পর ইসরাইল ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডগুলোর দখল নেয়। যার মধ্যে ছিল- পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা ও পূর্ব জেরুজালেম।

১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তি অনুযায়ী পশ্চিম তীরকে তিনটি এলাকায় ভাগ করা হয়:

এরিয়া এ (২১%): ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) পূর্ণ প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ। যেমন- রামাল্লাহ, নাবলুস ও জেনিন।

এরিয়া বি (১৮%): ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আংশিক প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ। তবে নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ ইসরাইলের।

এরিয়া সি (৬১%): ইসরাইলের পূর্ণ প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ। এতে সীমান্ত, বাইরের নিরাপত্তা, জেরুজালেম ও বসতিগুলো অন্তর্ভুক্ত। 

বাস্তবে, ইসরাইল পুরো পশ্চিম তীরই নিয়ন্ত্রণ করে, তাদের সেনারা প্রায় অনিয়ন্ত্রিতভাবেই সবত্র অভিযান চালায়।

এ এলাকায় ৭ লাখেরও বেশি ইসরাইলি ১৫০টি বসতিতে বসবাস করছে। আরও প্রায় ২০০টি অবৈধ আউটপোস্ট রয়েছে। 

যদিও এসব বসতিকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি অর্থাৎ অবৈধ বলে ২০২৪ সালে দেওয়া এক রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)।

এদিকে, ফিলিস্তিনি