সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

কোমরের ব্যথা কমাতে খেলেন - জীবন্ত ব্যাঙ


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-10-09
কোমরের ব্যথা কমাতে খেলেন - জীবন্ত ব্যাঙ
কোমরের ব্যথা কমাতে এক বৃদ্ধার কাণ্ড

কোমরের ব্যথা কমাতে এক বৃদ্ধার কাণ্ড চীনের বাসিন্দাদের চোখ কপালে তুলে দিয়েছে। চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের বাসিন্দা ওই নারীর নাম ঝ্যাং। তাঁর পুরো নাম প্রকাশ করা হয়নি।

এই বৃদ্ধার বয়স ৮২ বছর। এই বয়সে কমবেশি সবাই নানা রোগে আক্রান্ত হন, শরীরে ব্যথা-বেদনা হয়। ঝ্যাংও কোমরের ব্যথায় আক্রান্ত, তাঁর মেরুদণ্ডের হাড় ক্ষয় হয়ে গেছে। এ কারণে কোমরের নিচে প্রচণ্ড ব্যথায় তাঁর জন্য দিন দিন হাঁটাচলাই দায় হয়ে পড়ছিল।

একদিন কারও কাছ থেকে ঝ্যাং শুনতে পান, জীবন্ত ব্যাঙ গিলে খেলে শরীরের ব্যথা কমে। যন্ত্রণাকাতর এই বৃদ্ধা অন্ধবিশ্বাস থেকে পরিবারের সদস্যদের তাঁকে ব্যাঙ ধরে দিতে বলেন। কেন তিনি জীবন্ত ব্যাঙ ধরে দিতে বলেছেন, তা গোপন করে যান।

এরপর এই চীনা নারী প্রথম দিন তিনটি এবং পরদিন আরও পাঁচটি ছোট ছোট জীবন্ত ব্যাঙ গিলে খেয়ে ফেলেন। প্রথমে পেটে খানিকটা অস্বস্তি হচ্ছিল। কয়েক দিন পর পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হয়।

ব্যথা যখন সহ্যের বাইরে চলে যায়, তখন ঝ্যাং পরিবারকে জীবন্ত ব্যাঙ খাওয়ার কথা জানান। মাকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটেন তাঁর ছেলে।

চোখ কপালে তোলা এই কাণ্ড ঘটেছে গত মাসের শুরুর দিকে। মাকে হাসপাতালে নিয়ে তাঁর ছেলে চিকিৎসকদের বলেন, ‘আমার মা আটটি জীবন্ত ব্যাঙ খেয়ে ফেলেছেন। প্রচণ্ড ব্যথায় এখন তিনি হাঁটতেও পারছেন না।’

নানা পরীক্ষার পর ঝ্যাংয়ের শরীরে পরজীবীর সংক্রমণ শনাক্ত হয়। হাসপাতালের একজন চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘ব্যাঙ গিলে খাওয়ার কারণে রোগীর পাচনতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তাঁর শরীরে কিছু পরজীবী বাসা বেঁধেছে।’

দুই সপ্তাহ চিকিৎসার পর ওই নারী কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান।

হাংঝৌ হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক উ ঝংওয়েন বলেন, এমন ঘটনা বিরল নয়। তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে আমরা কয়েকজন এমন রোগী পেয়েছি। তাঁদের কেউ ব্যাঙ গিলে খেয়েছেন, কেউ তাজা সাপের পিত্ত বা কাঁচা মাছের পিত্ত খেয়েছেন, কেউ ব্যাঙের চামড়া নিজেদের ত্বকে লাগিয়েছেন।’

এ ধরনের রোগীদের বেশির ভাগই প্রবীণ। তাঁরা নিজেদের স্বাস্থ্যের সমস্যাগুলো পরিবারকে খুব কমই জানান। সাধারণত গুরুতর অবস্থায় তাঁদের হাসপাতালে আনা হয়।