ইউক্রেনে দূর পাল্লার টমাহক ক্রুজ মিসাইল পাঠাতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। কিয়েভকে ওই মিসাইল সরবরাহ করবেন কিনা এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে ট্রাম্প বলেন, দেখা যাক। দিতেও পারি। বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধে ওই মিসাইলগুলো নতুন মাত্রার আগ্রাসন যোগ করবে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এতে বলা হয়েছে, সপ্তাহান্তে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনালাপ করেন ট্রাম্প। সেখানে রাশিয়ার ওপর পাল্টা আক্রমণ চালানোর জন্য সামরিক সক্ষমতার ওপর জোর দেয়া হয়। এর আগে কিয়েভকে দূর পাল্লার মিসাইল দেয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে মস্কো। বলা হয়, এতে সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাবে এবং রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের অবনতি হবে।
উল্লেখ্য, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২ হাজার ৫০০ কিলোমিটার। ট্রাম্প বলেন, তিনি টমাহক মিসাইলের ব্যাপারে রাশিয়ার সঙ্গে কথা বলবেন। বলেন, আমি তাদেরকে বলবো যদি যুদ্ধ সমাপ্ত না হয় তাহলে আমরা কিয়েভকে ওই মিসাইল দিতে পারি। রাশিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তারা কি চায় ওই মিসাইল তাদের দিকে যাক? আমার তা মনে হয়না। রোববার ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, মিসাইলের বিষয়টি রাশিয়ার কাছে চরম উদ্বেগের। সেপ্টেম্বরে টমাহক মিসাইলের বিষয়টি উড়িয়ে দেন। বলেন, রাশিয়ান ফেডারেশনের কি ভাবা উচিত? যে রাশিয়ার কিভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত সেটা? সোমবার পেসকভের মন্তব্যের ওপর দ্বিগুণ প্রতিক্রিয়া জানান রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ। বলেন, রাশিয়ার কিভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত? এ ধরণের মিসাইলের আঘাতে আমরা সবাই প্রাণ হারাতে পারি।
মেদভেদেভ কয়েক বছর ধরে আক্রমণাত্মক ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। তাকে প্রায়শই সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের পোস্ট দিতে দেখা যায়। এর আগে ট্রাম্পের সঙ্গেও তিনি বিবাদে জড়িয়েছেন। আগস্টে তার মন্তব্যের জেরে ট্রাম্প বলেন, তিনি রাশিয়ার কাছে পারমাণবিক সাবমেরিন পাঠানোর নির্দেশ দেন।