সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

সর্বশেষ সফরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠকটি কেমন ছিল?


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-10-18
সর্বশেষ সফরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠকটি কেমন ছিল?
ফাইল ছবি।

সর্বশেষ সফরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠকটি কেমন ছিল, তা একটি শব্দ দিয়েই বর্ণনা করা যায়। আর তা হলো ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বা জেলেনস্কির ভাষায় ‘তীক্ষ্ণ’ (pointed)। তিনি নিজেই এক্সে এভাবে লিখেছেন। এই শব্দের অর্থ বিশ্লেষণ না করলেও বোঝা যায়, জেলেনস্কি আসলে এর মাধ্যমে কী বোঝাতে চেয়েছেন। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি সেই বৈঠক ছিল না, যেমনটা ইউক্রেনীয়রা আশা করেছিল।

গত বৃহস্পতিবার জেলেনস্কিসহ ইউক্রেনের প্রতিনিধিদল যখন ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হয়, তখন তাদের মধ্যে ছিল উচ্চ মনোবল। রুসলান স্টেফানচুক ইউক্রেনের পার্লামেন্টের স্পিকার। তিনি কার্যত দেশটির দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি। জেলেনস্কির প্রতি আনুগত্যের জন্যও তিনি বেশ পরিচিত। বিমানে ওঠার ঠিক আগে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টেফানচুক এই সফরকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

স্টেফানচুক বলেছিলেন, এই বৈঠকই বিশ্বকে নিশ্চিত করবে ট্রাম্প ‘অবশেষে বুঝেছেন, পুতিন মিথ্যাবাদী, তাঁকে বিশ্বাস করা যায় না। যুদ্ধ থামাতে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।’ তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই বৈঠকেই ইউক্রেনকে দূরপাল্লার টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র দিতে রাজি হবেন। কিন্তু জেলেনস্কির বিমান আকাশে থাকতেই ট্রাম্প-পুতিনের আড়াই ঘণ্টার ফোনালাপের খবর আসতে শুরু করে। এরপর বিমানটি ওয়াশিংটনের মাটি ছোঁয়ার আগেই ঘোষণা আসে, তাঁদের (ট্রাম্প-পুতিন) মধ্যে আরেকটি বৈঠক হতে চলেছে। ইউক্রেনীয়রা বিমান থেকে নামেন, কিন্তু তাঁরা ছিলেন নীরব। যাত্রা শুরুর সময় তাঁদের মধ্যে যে মনোবল ছিল, সেটি যেন ফুটো হওয়া বেলুনের মতো চুপসে গেছে।

কয়েক সপ্তাহ আগেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর বিরক্ত ছিলেন। তিনি বিরক্তি প্রকাশ করে বলেছিলেন, পুতিন তাঁকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছেন। ইউক্রেনে হামলা তাঁর পাগলামি ছাড়া কিছু নয়। তিনি ধীরে ধীরে পুতিনের ওপর ‘ক্ষিপ্ত’ হচ্ছিলেন। কিন্তু শুক্রবারের ফোনালাপের পর যেন তাঁর সব বিরক্তি চলে গেছে।

শুক্রবারের বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, তিনি (পুতিন) একটি চুক্তি করতে চান। এরপর তিনি তাঁর পুরোনো কথাগুলোই আবার বলতে থাকেন। তিনি পুরো সংঘাতটিকে দুই নেতার মধ্যে একটি ব্যক্তিগত বিরোধ হিসেবে তুলে ধরেন। ট্রাম্প বলেন, ‘এখানে দুই পক্ষের মধ্যে প্রচুর বিদ্বেষ রয়েছে। তাই যুদ্ধ থামছে না।’

জেলেনস্কি জানেন, হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ করার ঝুঁকি কেমন। এর আগে তাঁর তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে। তাই এবারের বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী যখন কঠোর দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিলেন, তখন সেখানে ছিল পিনপতন নীরবতা। চুপসে গিয়েছিলেন জেলেনস্কি।

প্রত্যাশিতভাবেই, জেলেনস্কি ট্রাম্পের প্রশংসা করেন এবং বারবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। কারণ আজকাল ওয়াশিংটনে তোষামোদই কূটনীতির মুদ্রা। তবে জেলেনস্কি এটাও স্পষ্ট করে দেন, রাশিয়ার সদিচ্ছা নিয়ে তিনি ট্