সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

‘শারীরিক সম্পর্ক’ মানেই ধর্ষণ নয় - হাইকোর্ট


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-10-22
‘শারীরিক সম্পর্ক’ মানেই ধর্ষণ নয় - হাইকোর্ট
প্রতীকী ছবি

দিল্লি হাইকোর্টের সাম্প্রতিক রায়ে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ‘শারীরিক সম্পর্ক’ কথাটি উচ্চারণ করলেই তা ধর্ষণের প্রমাণ হয়ে যায় না। আদালত জানিয়েছে, এমন শব্দ ব্যবহার কোনো প্রমাণ ছাড়া ধর্ষণ বা জোরপূর্বক যৌন সম্পর্কের মামলা টিকিয়ে রাখার জন্য যথেষ্ট নয়। 

বিচারপতি মনোজ কুমার ওহরির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ১৭ অক্টোবরের রায়ে এক ব্যক্তিকে খালাস দিয়েছেন, যিনি এর আগে ১০ বছরের সাজা পেয়েছিলেন। 

২০২৩ সালের মামলায় অভিযোগ ছিল, ২০১৪ সালে অভিযুক্ত আত্মীয় এক ১৬ বছরের কিশোরীর সঙ্গে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘ এক বছর ‘শারীরিক সম্পর্ক’ স্থাপন করেছিল। কিন্তু আদালতের সামনে আসা প্রমাণে দেখা যায়, সেই সম্পর্কের প্রকৃতি নিয়ে কোনো বিস্তারিত বর্ণনা নেই। কিশোরী ও তার বাবা-মা কেবল বলেছেন ‘শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে’, কিন্তু তার অর্থ কী, তা ব্যাখ্যা করেননি। 

আদালত বলেছে, “এভাবে অস্পষ্টভাবে বলা ‘শারীরিক সম্পর্ক’ কথাটি আইনগতভাবে ধর্ষণ প্রমাণের মানদণ্ডে পড়ে না।” আদালতের পর্যবেক্ষণ, প্রসিকিউশন বা নিম্ন আদালত কেউই কিশোরীকে প্রশ্ন করেনি, সে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছে। তাই অপরাধের মূল উপাদান প্রমাণ হয়নি।

বিচারপতি ওহরি আরও বলেন, শিশু সাক্ষীর বক্তব্য যদি অসম্পূর্ণ হয়, আদালতের দায়িত্ব থাকে প্রশ্ন করে সেটি পরিষ্কার করা। আদালত কোনো অবস্থাতেই নির্বিকার থাকতে পারে না।

ফরেনসিক রিপোর্ট বা চিকিৎসা প্রমাণের অভাবে আদালত বলে, পুরো মামলাটি কেবল মৌখিক সাক্ষ্যের ওপর নির্ভর করেছে। 

রায়ে আরও বলা হয়েছে, “শারীরিক সম্পর্ক” শব্দটি ভারতীয় দণ্ডবিধি বা পকসো আইনে কোথাও সংজ্ঞায়িত নয়, তাই এর অর্থ নির্ভর করে সাক্ষীর বক্তব্যের ওপর। 

রায়ের ভাষায়, “এই মামলায় তা ব্যাখ্যা করা হয়নি, তাই অপরাধ প্রমাণিত বলা যাবে না। আদালত আরও জানিয়েছে, আবেগ বা সহানুভূতি নয়, বিচার হয় প্রমাণের ভিত্তিতে। আর প্রমাণ না থাকলে দণ্ড টেকসই নয়। এই মামলায় বিচার প্রক্রিয়ার মধ্যে আদালত একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যও করেছে— ভবিষ্যতে শিশু সাক্ষীর ক্ষেত্রে আদালতকে আরও সক্রিয় ও অংশগ্রহণমূলক হতে হবে, যাতে সত্য উদঘাটন হয়। 

আইনজীবীরা বলছেন, এই রায় যৌন অপরাধ মামলায় প্রমাণের মানদণ্ড নতুনভাবে নির্ধারণ করবে। সমাজে ‘শারীরিক সম্পর্ক’ শব্দের ব্যবহার যেভাবে প্রচলিত, তার আইনগত ব্যাখ্যা এক নয়— এটিই রায়ের মূল বার্তা।