সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

মার্কিন চোখ এড়াতে নারীর ছদ্মবেশে পালিয়েছিলেন ওসামা বিন লাদেন


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-10-25
মার্কিন চোখ এড়াতে নারীর ছদ্মবেশে পালিয়েছিলেন ওসামা বিন লাদেন
আল-কায়েদা প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেন

আল-কায়েদা প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনকে নিয়ে চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছেন একজন সাবেক সিআইএ অফিসার জন কিরিয়াকো। এক সাক্ষাৎকারে, জন কিরিয়াকো দাবি করেছেন, বিশ্বের অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড ‘সন্ত্রাসী’, ৯/১১ ‘সন্ত্রাসী হামলার মূল’ পরিকল্পনাকারী ওসামা বিন লাদেন, মার্কিন বাহিনী থেকে বাঁচতে একজন নারীর ছদ্মবেশে আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

সংবাদমাধ্যম এএনআই-এর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে, কিরিয়াকু বলেন, তারা জানতেন না যে সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডারের অনুবাদক আসলে একজন আল কায়েদা অপারেটিভ, যিনি মার্কিন সেনাবাহিনীতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। 


আমরা ভেবেছিলাম ওসামা বিন লাদেন এবং আল কায়েদার নেতৃত্ব আফগানিস্তানে কোণঠাসা হয়ে আছে। কিরিয়াকু বলেন।

 

সিআইএ কর্মকর্তা আরও বলেন, আমরা জানতাম না যে সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডারের অনুবাদক আসলে একজন আল কায়েদা কর্মী ছিলেন যিনি মার্কিন সেনাবাহিনীতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাই আমরা ভেবেছিলাম, আমরা বিন লাদেনকে কোণঠাসা করে ফেলেছি। আমরা তাকে তোরা বোরার পাহাড় থেকে নেমে আসতে বলেছিলাম। তিনি অনুবাদকের মাধ্যমে বললেন, আপনি কি আমাদের ভোর পর্যন্ত সময় দিতে পারেন? আমরা নারী ও শিশুদের সরিয়ে নিতে চাই, এবং তারপর আমরা নিচে নেমে হাল ছেড়ে দেব (ধরা দেব)। অনুবাদক জেনারেল ফ্রাঙ্কসকে এই ধারণাটি অনুমোদন করতে রাজি করান।

 

ভোর নাগাদ, মার্কিন সেনারা বুঝতে পারেন যে, তাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। তোরা বোরার গুহাগুলো খালি ছিল। এরপর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তান পর্যন্ত চলে। যেখানে বিন লাদেন প্রায় এক দশক ধরে লুকিয়ে ছিলেন এবং ২০১১ সালে অ্যাবোটাবাদে মার্কিন নৌবাহিনীর সিলের অভিযানে নিহত হন।

 

কিরিয়াকু বলেন, শেষ পর্যন্ত যা ঘটেছিল তা হল বিন লাদেন একজন নারীর পোশাক পরে অন্ধকারে একটি পিকআপ ট্রাকের পিছনে বসে পাকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছিলেন।


৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর আফগানিস্তানের তোরা বোরা পর্বতমালায় আল-কায়েদা সন্ত্রাসীদের কোণঠাসা করে রাখার বিষয়ে এবং পাকিস্তানে পালানো নিয়ে এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে কিরিয়াকু এসব তথ্য জানান।

 

পরে ২০১১ সালের মে মাসে উত্তর পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদ শহরে ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে বের করে যুক্তরাষ্ট্র। ২ মে মার্কিন বিশেষ বাহিনী তার সেফ হাউসে অভিযান চালিয়ে তাকে হত্যা করে।


এ সময় তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা মূলত মোশাররফকে কিনেছিলেন এবং আমরা যা করতে চাইতাম তিনি আমাদের তাই করতে দিতেন।


সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা বলেন, পাকিস্তান সরকারের সাথে আমাদের সম্পর্ক খুব, খুব ভালো ছিল। সেই সময় জেনারেল পারভেজ মোশাররফ ছিলেন। এখানে সৎভাবে বলতে পারি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরশাসকদের সাথে কাজ করতে ভালোবাসে। কারণ তখন