সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

চীনের মধ্যস্থতায়, বিভেদ ভুলে নতুন সম্পর্কে ইরান ও সৌদি আরব


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-10-26
চীনের মধ্যস্থতায়, বিভেদ ভুলে নতুন সম্পর্কে ইরান ও সৌদি আরব
প্রতীকী ছবি

নিজেদের পুরনো সব ক্ষোভ কবর দেয়ার সময় এসেছে ইরান এবং সৌদি আরবের। চীনের মধ্যস্থতায় তাদের যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে তা নষ্ট করা উচিত নয়, কারণ এটি কেবল বিশ্বকে অবাকই করেনি বরং আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিকেও নতুন রূপ দিয়েছে, যা এই বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল যে, ইসরাইল ছাড়া, শিয়া এবং সুন্নিরা ‘কুকুর-বিড়ালের মতো’ লড়াই চালিয়ে যাবে।

ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে পুনর্মিলন সমগ্র অঞ্চলজুড়ে এবং বিশ্বব্যাপী শান্তিপ্রেমীদের মধ্যে আশার আলো জাগিয়ে তুলেছে। বেইজিংয়ের উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন; কয়েক দশক ধরে প্রকাশ্য ও গোপন শত্রুতার পর, এটি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে তাদের মতপার্থক্য নিরসনের জন্য মুখোমুখি করেছে।

 

শুধু তাই নয়, এটি উভয় পক্ষকে বিরতি নেয়ার, আত্মবিশ্বাস পুনর্গঠনের, আস্থা গভীর করার একটি বিরল সুযোগ দিয়েছে এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়ে, সাম্প্রদায়িকতার অবসান ঘটাতে, রাজনৈতিক সীমানা নির্ধারণ করতে, অথবা তেল-পরবর্তী বৈচিত্র্য অর্জনের বিষয়ে যৌথ প্ল্যাটফর্মও দিয়েছে।

 

যেহেতু উভয়ই পক্ষই নেতৃত্ব চায়, তাই রিয়াদ এবং তেহরানকে একসাথে কাজ করতে হবে। আজ তাদের চ্যালেঞ্জগুলো অভিন্ন এবং এটি উপেক্ষার মূল্য অনেক বেশি। উভয়েরই গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক শিকড় রয়েছে, যা তাদের উপকারে আসতে পারে প্রতিযোগিতার পরিবর্তে সহযোগিতার হাত বাড়ালে।

 

এমনকি যদি তারা কেবল ‘শান্তি’র ধারণার ওপরেও একমত হয়, তাতেই এটি তাদের জনগণ, এমনকি সমগ্র বিশ্বের জন্য সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা এবং কল্যাণের আকারে সুফল বয়ে আনতে পারে।

 

ইরানকে সবশেষ ‘অনুন্নত’ দেশ হিসেবে পরিচিত করা হয়, যেখানে বিশ্বের সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী কিছু বৈচিত্র্যময় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সৌদি আরব। উভয় দেশেরই প্রচুর সম্পদ রয়েছে। এগুলো বিদেশে পাঠানোর পরিবর্তে তারা অর্থনৈতিক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত প্রকল্পে একসাথে কাজ করার জন্য একটি পারস্পরিক উপকারী বাস্তুতন্ত্র তৈরি করতে পারে।

 

এই সহযোগিতামূলক মডেলটি সহজেই অন্যান্য দেশেও সম্প্রসারিত করা যেতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে জিসিসি, আরব লীগ এবং ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য দেশগুলো। এ ধরনের মডেল প্রতিযোগিতা নয় পরিপূরকতার ওপর, শোষণ নয় সহযোগিতার ওপর এবং বিচ্ছিন্নতার ওপর নয়, ভাগ করে নেয়া সুবিধার ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত।

 

সৌদি আরব এবং ইরানের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেবল একে অপরের জন্যই নয়, বরং ইসলামের ভাবমূর্তি এবং সমগ্র মুসলিম বিশ্বের জন্যও ক্ষতিকর। শত্রুরা ধর্ম ও আদর্শকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে মুসলমানদের বিভক্ত করতে, সীমানা পুনর্নির্মাণ করতে এবং অবিশ্বাস ও ঘৃণা ছড়িয়ে দিতে। যেহেতু ইসলাম একটি বৈশ্বিক ধর্ম, তাই এই বিভাজন এবং ভুল বোঝাবুঝি সীমানা অতিক্রম করেছে এবং সর্বত্র বিশ্বাসীদের মনকে বিষাক্ত করে তুলেছে। ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ সাম্প্রদায়িক সংঘাত মুসলমানদেরকে মুসলমানদের বিরুদ্ধেই ঠেলে দিয়ে, ইসলামের শত্রুদের এটি