সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

দুই দলেরই নেতৃত্ব পরিবর্তনে ‘বিদেশ থেকে একটা খেলা চলছে’


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-11-29
দুই দলেরই নেতৃত্ব পরিবর্তনে ‘বিদেশ থেকে একটা খেলা চলছে’
জয়ের সাক্ষাৎকারটি নেন বিবিসি বাংলার সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ

বাংলাদেশে বড় দুটি দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন আনতে একটি অগণতান্ত্রিক তৎপরতা রয়েছে– এমন অভিযোগ করেছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দুই দলেরই নেতৃত্ব পরিবর্তনে ‘বিদেশ থেকে একটা খেলা চলছে।

বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের পাশাপাশি বড় দল বলতে তিনি বিএনপিকে বুঝিয়েছেন। তবে ‘খেলা’ বলতে আসলে কী বোঝাচ্ছেন এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত সে বিষয়ে তিনি পরিষ্কার করেননি।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, তার পরিবারের কেউ শেখ হাসিনার পরে দলের নেতৃত্বে আসার সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, দলই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা একটি গণতান্ত্রিক দল। ভবিষ্যত নেতৃত্ব কে হবে এটা দল নির্ধারণ করবে। আমি বা অন্য কেউ উপরে থেকে এটা নির্দেশ দিতে পারি না। এখন যে চেষ্টা করা হচ্ছে, তা কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশে দুই দলেরই নেতৃত্ব পরিবর্তনের জন্য বিদেশ থেকে একটা খেলা চলছে। এটি গণতান্ত্রিক নয়।

‘রিফাইন্ড’ ধারণা নিয়ে সন্দেহ

৫ আগস্টের পর গণ-অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে বড় সংকটের মধ্যে পড়েছে। কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের অধিকাংশ দায়িত্বশীল নেতা দেশে-বিদেশে আত্মগোপনে রয়েছেন অথবা কারাগারে আছেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় হওয়ার পর রাজনীতিতে তার ভবিষ্যত ও আওয়ামী লীগের পরবর্তী নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

৫ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতিতে নতুন কোনো নেতৃত্বের অধীনে ‘রিফাইন্ড বা পরিশুদ্ধ আওয়ামী লীগ’ রাজনীতিতে সক্রিয় করার বিষয়টি আলোচনায় আসে। তবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অনুগত নেতাকর্মীদের মধ্যে এ ধারণার বিরোধ রয়েছে।

সজীব ওয়াজেদ বলেন, এই রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ হচ্ছে সেই ওয়ান ইলেভেনের সময়ের বিষয়টা। তখনও রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ, বিএনপির আলোচনায় এসেছিল।

তিনি আরও বলেন, দেশের বড় দুই দল– আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কেবল নির্দিষ্ট ভোটব্যাংক আছে, যা অন্য কোনো দলের নেই। ক্ষমতায় গেলে এই দুই দলের একটি আসবে। 

এ বাস্তবতায় কাদের ইচ্ছায় রিফাইন্ড এই প্রশ্ন তুলে সজীব ওয়াজেদ বলেন, বিদেশি কয়েকটা দেশ, বিদেশি কয়েকটা শক্তি আর আমাদের সুশীল সমাজের কয়েকজন মিলে নির্ধারণ করবে যে কে প্রধানমন্ত্রী হলে রিফাইন্ড হবে, কে নেতা হলে রিফাইন্ড হবে।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আমি রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ বা বিএনপিতে বিশ্বাস করি না। আমার বিশ্বাস গণতন্ত্রে, দল নির্ধারণ করবে নেতৃত্ব কে দেবে, জনগণ নির্ধারণ করবে দেশের নেতৃত্ব কে দেবে।

আওয়ামী লীগের পরবর্তী নেতৃত্ব

বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। দেশের মধ্যে কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার পরিবেশ নেই। সজীব ওয়াজেদ বলেন, দলের সভাপতি হচ্ছেন আমার মা। উনাকে তো দলের নেতাকর্মীরাই সমর্থন