বাংলাদেশ এখন মার্কিন নাগরিকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এই তালিকায় যুক্ত হওয়া দেশগুলোর সংখ্যা এখন ২১, যেখানে ভ্রমণে মার্কিন নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের, চতুর্থ স্তরের ভ্রমণ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তরের এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত একটি তালিকায় এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই সতর্কতা হল মার্কিনিদের জন্য সবচেয়ে কঠোর ভ্রমণ নির্দেশনা।
বাংলাদেশ ছাড়াও তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, বেলারুশ, বুরকিনা ফাসো, মিয়ানমার, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, হাইতি, ইরান, ইরাক, লেবানন, লিবিয়া, মালি, উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, ইউক্রেন, ভেনেজুয়েলা এবং ইয়েমেন।
গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্র ও জনতার গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগ করেন। এর পরের দিনই মার্কিন দূতাবাস তাদের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশে ভ্রমণ সতর্কতা জারি করে।
ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছিল, বাংলাদেশে বেসামরিক অস্থিরতা, অপরাধ এবং সন্ত্রাসবাদের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। ফলে দেশটিতে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে মার্কিন নাগরিকদের আহ্বান জানানো হয়।
সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে আরও উল্লেখ করা হয়, এই সময় স্বল্প বা কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই সন্ত্রাসী হামলার সম্ভাবনা থাকতে পারে। তাই মার্কিন নাগরিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব দেশ ভ্রমণ না করতে বলা হয়েছে। সতর্কবার্তায় আরও জানানো হয়, এসব দেশে বিশেষ করে পর্যটন স্থান, বাস–ট্রেন স্টেশন, বাজার, শপিংমল, রেস্তোরাঁ, ধর্মীয় স্থান, স্কুল, ক্যাম্পাস এবং সরকারি স্থাপনা আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে, তাই মার্কিনিদের সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে।