মাত্র দুদিনের ব্যবধানে নাটোরে পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে ১৫ টাকা বেড়েছে। আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম বাড়ায় দেশীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। আগামী এপ্রিলে চারা জাতের নতুন পেঁয়াজ বাজারে সরবরাহ না হওয়া পর্যন্ত দাম কমার সম্ভবনা নেই বলে জানালেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে কন্দ জাতের পেঁয়াজের মৌসুমের শেষ পর্যায়ে অতিরিক্ত দাম পাওয়ায় খুশি কৃষকরা।
গত ৪ মার্চ পর্যন্ত নাটোর জেলার হাটগুলোতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪২ থেকে ৪২ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে ৫ মার্চ থেকে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকে। ৬ মার্চ (রোববার) সদর উপজেলার তেবাড়িয়া হাটে পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৫৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, আমদানি করা বিদেশি পেঁয়াজ পাইকারি পর্যায়ে সীমান্ত এলাকায় ৪০ থেকে ৪২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া দেশীয় কন্দ জাতের পেঁয়াজের মজুত শেষ পর্যায়ে আসায় দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।
আগামী এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে চারা জাতের নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ শুরু হলে দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
চলতি মৌসুমের শুরুতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৮ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হন কৃষকরা। তবে চলতি সপ্তাহে এই মৌসুমের সর্বোচ্চ দাম পেয়ে খুশি কৃষকরা। তাই চারা জাতের পেঁয়াজের নায্যমূল্যের নিশ্চয়তা চান কৃষকরা।
কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, চলতি বছর নাটোর জেলায় প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। এ বছর প্রায় ১ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে।