দিনের ব্যস্ততা শেষে ব্যবসায়ীরা যখন বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তখন বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়েছে কর্ণফুলী উপজেলা ব্রীজঘাটে ৫টি দোকান ও ৬টি সেমিপাকা ঘর পুড়ে ছাই। সোমবার (মার্চ) রাত ৪টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, বাজারের ব্যবসায়ীরা যখন দিন শেষে যে যার বাড়িতে ঘুমে আচ্ছন্ন তখন মধ্যরাতের আগুনে সব নিঃশেষ হয়ে গেছে।আগুন লাগার পরপরই মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ৬টি সেমিপাকা ঘর , একটি টিবি দোকান, একটি মোবাইলে দোকান ও সবজির দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এক ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হলেও ততক্ষণে সব কিছুই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
সেমিপাকা ঘর ও দোকানে মালিক নূর আব্বাস বলেন,আমার কিছু নাই সব ছাই হয়ে গেছে। আমার ঘর ও দোকান বাবদ ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে।এই ক্ষতি কি ভাবে পোষাবো বুঝতে পারছি না। আমার সব কিছু শেষ হয়ে গেছে।আমি শহরে থাকে, সকালে এসে দেখি আমার কোন কিছু নাই সব ছাই হয়ে গেছে। একটি টিবি ও মোবাইল দোকানের একটি কিছু নাই ছাই ছাড়া। আমার একজন ভাড়াটিয়ার নগদ অর্থ ৪৫ হাজার টাকা পুরে ছাই হয়ে গেছে।
তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা না গেলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন চরপাথরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য চরপাথরঘাটা ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ফরিদ জুয়েল । তিনি ব্যবসায়ীদের ঘুড়ে দাঁড়ানোর জন্য সরকারি সহায়তা দাবি করেন।