মিল মালিকদের সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য থামানোই যাচ্ছে না। এবার অবরোধের অজুহাতে চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন তারা। যদিও খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে চালের কোনো সংকট নেই।
আবারও অস্থির হয়ে উঠছে চালের দাম। মিল মালিকদের কারসাজিতে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর পাইকারি বাজারে সরু ও মোটা চালের দাম বস্তাপ্রতি বেড়েছে ১০০ থেকে ২০০ টাকা। গরিবের চাল ব্রি-২৮ এর দাম বেড়েছে কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা। একই অবস্থা মাঝারি মানের চালেরও।
আরও পড়ুন- ভোলার বোরহানউদ্দিনে উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনসহ কৃষি ও মৎস উপকরণ বিতরণ
পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত ১০-১৫ দিনে কেজিতে প্রায় ৪ টাকা বেড়েছে চালের দাম। এই মুহূর্তে বাজারে চালের কোনো সংকট নেই। দাম বাড়তির বিষয়ে একে অপরকে দুষছেন মিল মালিক ও আড়তদাররা।
রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি ও খুচরা বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে সব ধরনের চাল। চালকল মালিকদের দাবি, অবরোধ ও হরতালের পরিবহন ব্যয় বেড়েছে।

কুষ্টিয়ার ইফাদ এগ্রো লিমিটেডের প্রোপাইটর ওমর ফারুক বলেন, কোন ধান বা চাল পুরনো হলে স্বাভাবিকভাবেই দাম বাড়ে। তবে নতুন ধান উঠলে চালের দাম কমে আসবে।
নওগার জেলা অটো মেজর হাসকি মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, অবরোধের কারণে গাড়ি চলচাল কমেছে। পাশাপাশি বেড়েছে গাড়ির ভাড়া। তারই প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে।
আরও পড়ুন- সিন্ডিকেটকে মাথায় বাড়ি দিয়ে ভেঙে দিতে হবে - মেয়র তাপস
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মোটা চাল বেড়ে কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৫ টাকায়। আর ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়ে মাঝারি মানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকায়। অন্যদিকে মিনিকেট মানভেদে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭৫ টাকায়।
ইসময়/একে/এমআরএম