জমিতে অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে চাষ করা যায় না, আবার বন্যার কারণে জমিতে পলি পড়ে যাওয়ায় চিংড়ি উৎপাদনও করা যাচ্ছে না। দফায় দফায় ঘুর্ণিঝড় আর জলোচ্ছ্বাসের কারণে লোনা পানিতে প্লাবিত হয় উপকূলীয় এলাকা, এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ফসলি জমি। এই অবস্থায় জমি থাকলেও তা থেকে আয় করতে পারছেন না কৃষকরা, ফলে বাধ্য হয়ে পেশা বদল করতে হচ্ছে। তাদের মধ্যে আবার কেউ কেউ গ্রাম ছেড়ে শহরমুখি হয়ে যাচ্ছেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে জাতিসংঘের একটি বিজ্ঞানী প্যানেল হুঁশিয়ার করেছে - মানুষের নানা কর্মকাণ্ডের পরিণতিতে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন দ্রুত হারে সাগর-পৃষ্টের উচ্চতা বাড়ছে এবং বরফ গলছে। সেই সাথে, জীব-জন্তুর বিভিন্ন প্রজাতি তাদের আবাসস্থল বদলাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বরফের আচ্ছাদন বিলীন হওয়ার কারণে কার্বন নি:সরনের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। যার ফলে, পরিস্থিতি দিনকে দিন বিপজ্জনক হয়ে পড়ছে।
আইপিসি বা জলবায়ু বিষয়ক আন্তর্জাতিক প্যানেলের সর্ব-সাম্প্রতিক একটি বিশেষ রিপোর্টে এসব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। গত এক বছরের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে এটি তাদের তৃতীয় রিপোর্ট।
এর আগে বিজ্ঞানীরা বোঝার চেষ্টা করেছেন, এই শতকের শেষভাগে গিয়ে যদি বিশ্বের তাপমাত্রা ১.৫ শতাংশ বেড়ে যায়, তার পরিণতি কী হতে পারে।সর্বশেষ রিপোর্টে অনুযায়ী তাপমাত্রার বাড়ার কারণে সমুদ্র এবং বরফে আচ্ছাদিত অঞ্চলের ওপর তার প্রভাব কী হতে পারে সেটা পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা এবার যা পেয়েছেন, তা আগের রিপোর্টগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ভীতিকর।