সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : অর্থনীতি

ভরা মৌসুমেও সাগরে মিলছে না ইলিশ


মোঃ জাকারিয়া, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি,

eshomoy.com || 2024-08-15
ভরা মৌসুমেও সাগরে মিলছে না ইলিশ

জুলাই থেকে অক্টোবর মাস ইলিশের ভরা মৌসুম। প্রতিবছর এসময়ে নদী ও সাগরে ধরা পড়ে বড় বড় রূপালি ইলিশ। আর তা দিয়ে জেলে ও আড়ৎদাররা লাভবান হন। কিন্তু এবছর চিত্র অনেকটা ভিন্ন। গত ২৩ জুলাই ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর জেলেরা সাগরে নামলেও তাদের জালে ধরা পড়ছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। ফলে বাজারে দামও চড়া। এদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণেও জেলেরা ঠিকভাবে সাগরে যেতে পারছে না। অনেক জেলে ঘাটে নোঙর করে থাকছেন। যারা সাগরে যাচ্ছেন তারাও কেউ খালি হাতে ফিরেছেন আবার কেউ ইলিশের পরিবর্তে ঝাটকা নিয়ে ফিরছেন।


উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের জেলে পিন্টু মাঝি বলেন, অনেক আসা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যাই কিন্তু যে মাছ পাই তা দিয়ে ১২ থেকে ১৩ জন লোকের বেতন আর বাজার খরচ উঠে না, সংসার চালাতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়, বর্তমানে বাজারে সব জিনিসের দাম বেশি তার ওপরে সাগর থেকে ফিরতে হয় খালি হতে, আমার খুব খারাপ সময় কাটছে।

জেলেরা জানান, ২ থেকে ৩ দিন ট্রলার চালিয়ে গভীর সাগরে যেতে যে পরিমাণ তেল ও বাজার খরচ যায়, কোনো সময় তাও উঠছে না মাছ বিক্রি করে। এ অবস্থায় চরম হতাশায় উপকূলের জেলেরা।


উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের জেলে মনির মিয়া বলেন, এবার মাছ তেমন পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু জাটকা আর বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছ পাওয়া যায়, এ দিয়ে কোনো রকমে চলে। বড় কোনো মাছ নেই। গেল বার এমন সময়ে ছোট-বড় ইলিশ মাছ পাওয়া গেছে। এ (বছরের) সিজনের গড়ে আর দুই মাস সময় আছে, এ অবস্থা চলতে থাকলে জেলেরা বাঁচবে না।

চরমোন্তাজ ইউনিয়নের মাছ ব্যবসায়ী তালেপ খলিফা বলেন, টানা ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা সাগরে গেছে। কিন্তু ভরা মৌসুমেও তেমন ইলিশ এবার পাচ্ছে না। যা পায় তা দিয়ে জেলের তেল খরচ হয় না।


রাঙ্গাবালী উপজেলা মেরিন অফিসারী অফিসার শাহাদাত হোসেন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তণের কারণে উপকূলে নদী ও সমুদ্র মোহনায় অসংখ্য ডুবোচরের সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে ইলিশের বিচরণ বাধাঁগ্রস্ত হচ্ছে। তাই সমুদ্রে দিন দিন ইলিশের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এবছর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর থেকেই বৈরী আবহাওয়া তাই জেলেরা ঠিকভাবে সাগরে যেতে পারছে না।

এদিকে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রগুলোয় ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় দামও চড়া। পাইকারী বাজারে এক কেজির বেশি ইলিশের দাম মণ ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকা। এক কেজি সাইজের দাম ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা। ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম সাইজের ইলিশের দাম (৪০ কেজি) মণ ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। খুচরা বাজারে যা সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে।


পাইকারী বাজারে ইলিশের দাম : এক কেজির বেশি বড় মণ ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকা, কেজি মূল্যে এক হাজার ৬০০ থেকে এক হাজার ৭৫০ টাকা। এক কেজি সাইজের দাম ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা, কেজি মূল্যে এক হাজার ৭৫০ টাকা। ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম সাইজের দাম মণপ্রতি ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা, কেজি মূল্যে এক হাজার থেকে ১১ হাজার ৫০০ টাকা।