খড়ের ঘরে আগুন লাগলে যেমন পানি দিয়েও নেভানো যায় না, দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে উঠে। ঠিক তেমনি নিজের মাঠে জ্বলে উঠেছে তামিম। ঢাকার হয়ে খেললেও চট্টগ্রামেইতো তামিমের জন্ম। সে যাই হোক মাসরাফি-রুবেলের ক্ষোভটা কি ব্যাট হাতেই ঝাড়েন তামিম নাকি সিমন্সের সেঞ্চুরির দাঁতভাঙ্গা জবাব তা তিনি নিজেই ভালো জানবে।
আজ সিলেটের করা ১৭৫ রানের জবাবে খেলতে নেমে নিজের শতরান তুলে নেয় তামিম। ৭৬ বলে ১৭টি চার ও ৪টি ছক্কা মেরে ১১১ রান করে তামিম। টসে হেরে ব্যাট করতে নামা ম্যাচের ১ম ইনিংসে সিলেটের ওপেনার ব্যাটসম্যান লেন্ডন সিমন্সও শতরান পূর্ণ করে। ৬৫ বলে ১১৬ রান করে সিমন্স।
এছাড়াও সিলেটের হয়ে এনামুল ১৮, মিঠুন ৬, ইনগ্রাম ০, বপারা ১৩ রান করে আউট হয়। মোসাদ্দেক-বাবু ১৩ ও ২ রান করে অপরাজিতা থাকে। ঢাকার বলার মাসরাফি, রাসেল, এবাদত, কুয়াইস একটি করে উইকেট পায়।
১৭৬ রান সামনে রেখে শাহজাদকে নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন তামিম ইকবাল। টি-টুয়েন্টি থেকে অবসরের দিকে আগ্রগামী তামিম নিজের যোগ্যতাকে প্রমাণ দিলেন আরেকবার। অবশ্য ইনিংসের তৃতীয় বলেই স্লিপে থাকা মিঠুনের সামনে বল তুলে দেয় তামিম। মিঠুনের ক্যাচ মিসের কারণে বেচে যায় তামিম। বিপিএলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের উদ্বোধনী জুটির রেকর্ড গড়ে মিনিস্টার ঢাকা জিতেছে যায় ৯ উইকেট ও ১৮ বল হাতে রেখেই।
জয়ের জন্য যখন প্রয়োজন ৪ রান তখন বাবুর বলে আউট হয় শাহজাদ। মাঠে নেমে কোনো বল খেলতে হয় নি ইমরানের, তার আগেই জয় তুলে নেয় তামিম।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
সিলেট সানরাইজার্স ১৭৫/৫ (২০), সিমন্স ১১৬, বিজয় ১৮, মিঠুন ৬, ইনগ্রাম ০, বোপারা ১৩, বাবু ২*; মাশরাফি ৪-০-২৯-১, রাসেল ৩-০-৪৫-১, এবাদত ৪-০-২৯-১, কায়েস ৪-০-২৬-১
মিনিস্টার ঢাকা ১৭৭/১ (১৭), তামিম ১১১*, শেহজাদ ৫৩, ইমরান ০*; বাবু ২-০-৩২-১
ফলাফলঃ মিনিস্টার ঢাকা ৯ উইকেটে জয়ী
ম্যাচসেরাঃ তামিম ইকবাল (মিনিস্টার ঢাকা) ।