বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে নানা জটিলতা। বুধবার (১ অক্টোবর) তামিম ইকবালসহ মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন ১৫ জন। এ বিষয়ে এক্সিউম ক্রিকেটার্স থেকে পরিচালক পদে প্রার্থিতার মনোনয়ন প্রত্যাহার করা ইসরাফিল খসরু সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, সরকারের একটি গোষ্ঠী এখানে (বিসিবিতে) নগ্নভাবে হস্তক্ষেপ করেছে।
বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ৬ অক্টোবর। বুধবার (১ অক্টোবর) ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। আর সবচেয়ে বড় নাটকটা মঞ্চায়িত হলো আজই। মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন তামিম ইকবাল, তার সঙ্গে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন আরও ১৪ জন।
তবে ঠিক কি কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, সে বিষয়ে এখনও কিছু স্পষ্ট করেননি তামিম ইকবাল। তবে এক্সিকিউম ক্রিকেটার্স থেকে পরিচালক পদে প্রার্থীতার মনোনয়ন প্রত্যাহার করা ইসরাফিল খসরু বলেন, ‘সরকারের একটি গোষ্ঠী এখানে (বিসিবিতে) নগ্নভাবে হস্তক্ষেপ করেছে। আপাতত এইটুকু বলতে পারি। আমাদের পুরো বক্তব্য শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে।’
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে নির্বাচনের কোনো পরিবেশ দেখছি না। খুবই দুঃখজনক ব্যাপার যে, বিসিবির নির্বাচনে এই পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটাই ছিল অস্বচ্ছ। জেলা-বিভাগের কাউন্সিলরদের ফোন করে প্রভাব বিস্তার করা হয়েছে। এরকম উদাহরণ আমরা বিভিন্নভাবে পেয়েছি। আবার ১৫টি ক্লাব নিয়ে স্বেচ্ছাচারিতা দেখছি। নতুন বাংলাদেশে আমরা এরকম নির্বাচন দেখতে পারি না। নির্বাচন ম্যানুফেকচার করা হচ্ছে, এমনটা হতে পারে না। তাই নৈতিক জায়গা থেকে আমরা এই অবস্থান নিয়েছি।’
এর
আগে বিসিবির নির্বাচনে বিএনপি নেতাদের সন্তানেরা তামিম ইকবালকে সমর্থন করছেন, এ বিষয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছিল। এরপর জানা যায়, সরকারের সঙ্গে তাদের সমঝোতা চলছে। এবং গত রাতে খবর আসে, সমঝোতা না হলে বড় একটি অংশ সরে দাঁড়াতে পারে। এ প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ছেলে ইসরাফিল খসরু বলেন, ‘সমঝোতা হয় ফেয়ারনেস, যৌক্তিকতা ও সমতার ভিত্তিতে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকলে সমঝোতার প্রসঙ্গ আসে না। এখানে পুরো বিষয়টাই প্রভাবিত।’
আরও সময় সংবাদ