সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : খেলা

লেজে গোবরে

বিশ্বকাপ মিশনের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ।


তপু রায়হান -ইসময় (স্পোর্টস রিপোর্টার)

eshomoy.com || 2021-11-04 00:54:00
বিশ্বকাপ মিশনের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ।

শিরোনামটি এরকম হবার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। আসুন দেখি আমার ছোট মস্তিস্কের বিশ্লেষন আপনাদের সাথে মিলে কি না। প্রত্যেকটা দলই বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে যাবার আগে স্বাভাবিকভাবেই তারা পূর্ব থেকে তাদের সেরা প্রস্তুতিটা গ্রহণ করে।

''হ্যা বাংলাদেশও সে বিবেচনাই ঘরের মাঠে ভুতুড়ে ইউকেট বানিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মত বড় দলকে নাকানি চুবানি খাইয়েছে। এমনকি র‌্যাংকিং এ প্রথমবারের মতো ৬ নম্বরে উঠে এসেছিল বাংলাদেশ।এথেকে তো জোর গলায় বলা যায় বাংলাদেশের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ছিলো দুর্দান্ত।

কিন্তু বাস্তবে কি হলো?? বাস্তবাতা হলো অশ্বডিম্ব বা ঘোড়ার ডিম, কিছুই না। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল যে দুধ ভাত।আসরের শুরুতে বাছাই পর্বে স্কটল্যান্ডের কাছে হার থমকে দিয়েছিল গোটা জাতিকে। পরে ওমান আর পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত হওয়ায় সে স্থবিরতা কেটে জেগেছিল নতুন আশা।

মনে হচ্ছিল এবার হয়তো কিছু একটা হবে। সেই ২০০৭ সালের পর থেকে ‘সোনার হরিণ’ হয়ে পড়া জয়ের দেখা হয়তো এবার মিলবে। কিন্তু হায়! তা আর মিললো কই? শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৭১ রানের লড়ার মত পুঁজি গড়ে সম্ভাবনা তৈরি করেও না পারার আগুনে পোড়া। ইংল্যান্ডের সামনে একদমই দাঁড়াতে না পারা। তারপর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৪৩ রানে বেঁধে ফেলেও জিততে না পারা। ৩ রানের পরাজয় হয়েছে সঙ্গী। ২ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৮৪ রানে অলআউট হয়ে ৬ উইকেটে হার মানা। মানে সেই আগের মতোই। জয়ের দেখা মেলেনি এখনো। মূল পর্বে জয় এখনো ‘সোনার হরিণ’ হয়েই আছে। দল খারাপ খেলছে। একেবারে যাকে বলে শ্রী-হীন, হতচ্ছিরি অবস্থা। ব্যক্তিগত পারফরমেন্সেও নেই কোন দ্যুতি। পারফরমেন্সের গ্রাফ নামতে নামতে তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ ভক্ত-সমর্থকদের মন খারাপ। এই পরিস্থিতি যে হবার তা আগে থেকেই আচ করা যাচ্ছিলো। কেননা মিরপুরেরে ওজঘন্য উইকেট তো আর বিশ্বকাপের মতো জায়গায় পাওয়া যাবে না।
আজ বাংলাদেশ লড়বে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ।আজকের ফলাফল কি হবে তা অনেকেই আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাস্যরসাত্মকভাবে পোস্ট করছেন।

এমনটাতো হবারই তাই নয় কি অন্য দেশ যখন ক্রিকেট নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে সেখান আমরা ভুতুড়ে ইউকেট বানিয়ে সিরিজ জিতে নিজেদের বিশাল বুদ্বিমান দাবি করি।

আর একাদশের কথা না বললেই নয় কারণ বিশ্বকাপের মতো আসরে আমরা খেলছি ১৩ সদস্যের দল নিয়ে, নেই বাড়তি প্লেয়ার। তাই এইবারের বিশ্বকাপে আদেও জয়ের কোনো আকাংখা ছিল কি নিছক আনুষ্ঠানিকতা তা আমার বোধগম্য নয়।