সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : গাইবান্ধা

গাইবান্ধায় অনলাইন জুয়ার টাকা ও ক্যামেরা নিয়ে দ্বন্দ্বে বন্ধু হাতে বন্ধু খুন।


গাইবান্ধা প্রতিনিধি:মো:রাতুল মিয়া

eshomoy.com || 2024-04-20
গাইবান্ধায় অনলাইন জুয়ার টাকা ও ক্যামেরা নিয়ে দ্বন্দ্বে বন্ধু হাতে বন্ধু খুন।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বাটি গ্রামের মিলনের ছেলে রিফাত হোসেন (১৬) ও একই উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে সম্রাট মিয়া (১৬) দুইজনই ঘনিষ্ট বন্ধু। বন্ধুত্বের সুবাদে দুই জনার মধ্যে গভীর সম্পক হয়। 

ঘটনার ৩ দিন আগে অথাৎ ১৭ই এপ্রিল সম্রাট  নিখোজ হয়। পরিবারের লোকজন অনেক খোজাখুজি করে না পেয়ে সাঘাটা থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। তারই সূত্র ধরে সাঘাটা থানা পুলিশ রিফাতকে গত ১৯ এপ্রিল (শুক্রবার) থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসে। পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে রিফাত সম্রাটকে  খুনের বর্ণনা দেয়।

সে মোতাবেক রিফাতের বাড়ীর সেফটি ট্যাংক থেকে ওই দিন গভীর রাতে পুলিশ সম্রাটের লাশ উদ্ধার করে। 

আরও জানা যায়, ওদের বন্ধুত্বের সুবাদে বাড়ীতে যাতায়াত ছিল সম্রাটের । এ সুযোগে বন্ধুত্বের খাতিরে একটি DSL R ক্যামেরা ধার নেয় রিফাত। পরে ক্যামেরাটি ফেরত চাওয়ায় দুইজনের মধ্যে ঝামেলা সৃষ্টি হয়। মূলত এটিকে কেন্দ্র করেই সম্রাটকে খুন করে রিফাত। 

এ দিকে সংবাদ পেয়ে গাইবান্ধার এডিশনাল এসপি (ক্রাইম) ইব্রাহিম হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। 

এ ঘটনায় সাঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ মমতাজুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,একটি সাধারণ ডায়েরী করায় অভিযুক্ত রিফাতকে থানায় ডেকে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর খুনের বিষয়টি স্বীকার করে সে। 

পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাশ উদ্ধার করে গাইবান্ধা মর্গে প্রেরণ করা হয়।