গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বাটি গ্রামের মিলনের ছেলে রিফাত হোসেন (১৬) ও একই উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে সম্রাট মিয়া (১৬) দুইজনই ঘনিষ্ট বন্ধু। বন্ধুত্বের সুবাদে দুই জনার মধ্যে গভীর সম্পক হয়।
ঘটনার ৩ দিন আগে অথাৎ ১৭ই এপ্রিল সম্রাট নিখোজ হয়। পরিবারের লোকজন অনেক খোজাখুজি করে না পেয়ে সাঘাটা থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। তারই সূত্র ধরে সাঘাটা থানা পুলিশ রিফাতকে গত ১৯ এপ্রিল (শুক্রবার) থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসে। পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে রিফাত সম্রাটকে খুনের বর্ণনা দেয়।
সে মোতাবেক রিফাতের বাড়ীর সেফটি ট্যাংক থেকে ওই দিন গভীর রাতে পুলিশ সম্রাটের লাশ উদ্ধার করে।
আরও জানা যায়, ওদের বন্ধুত্বের সুবাদে বাড়ীতে যাতায়াত ছিল সম্রাটের । এ সুযোগে বন্ধুত্বের খাতিরে একটি DSL R ক্যামেরা ধার নেয় রিফাত। পরে ক্যামেরাটি ফেরত চাওয়ায় দুইজনের মধ্যে ঝামেলা সৃষ্টি হয়। মূলত এটিকে কেন্দ্র করেই সম্রাটকে খুন করে রিফাত।
এ দিকে সংবাদ পেয়ে গাইবান্ধার এডিশনাল এসপি (ক্রাইম) ইব্রাহিম হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এ ঘটনায় সাঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ মমতাজুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,একটি সাধারণ ডায়েরী করায় অভিযুক্ত রিফাতকে থানায় ডেকে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর খুনের বিষয়টি স্বীকার করে সে।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাশ উদ্ধার করে গাইবান্ধা মর্গে প্রেরণ করা হয়।