গাইবান্ধা সদর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদীর কামারজানি ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে অবৈধ ড্রেজার মেশিন বসিয়ে রাতে-দিনে বালু উত্তোলন করছেন স্থানীয় কিছু প্রভাব শালী চক্র। তারা প্রশাসন কে বৃদ্ধা আঙুলী দেখিয়ে রাতে দিনে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছে। এতে এলাকাবাসীরা কিছু বলতে গেলে তাদের উল্টো হামলা ও মামলার ভয় দেখান বালু ব্যবসায়ীরা।
ইসময় চ্যানেলের অনুসন্ধানে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে নদী থেকে বালু উত্তলন এর বাণিজ্যে চালিয়ে যাচ্ছেন, মো:জাহাঙ্গীর আলম,মো:পরি মিয়া, মো:মিল্টন মিয়া সহ একটি চক্র।
অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের ফলে নদী ভাঙন বৃদ্ধি ছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বসতবাড়ি ঘর, ফসলি জমি ও বিভিন্ন এলাকার কাঁচা-পাকা সড়ক। হুমকির মুখে পড়েছে নানা স্থাপনা।
এর আগে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হলে ঘটনা স্থানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা গিয়ে বালু উত্তলন এর সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং সেই সাথে তাদের মোবাইল কোর্টের ম্যাধমে জরিমানা করা হয়, কয়েকটি কাকরা গাড়ি জব্দ করে প্রশাসন থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার একদিন পরেই গাড়িগুলো তারা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে ছাড়িয়ে নিয়ে আসার। পর প্রশাসনের রেড দেওয়া লাল পতাকা চিহ্ন করা স্থানের বালু গুলো তারা আবারো,রাতের আধারে অবৈধ কাকরা গাড়ি,জ্যাম ট্রাক, দিয়ে বালু বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করায় এলাকাবাসীরা জানায়, এর আগে প্রশাসন এসে বালু উত্তলন ও বিক্রির কাজ বন্ধ করে দেয় তার পরেও জাহাঙ্গীর,জিয়া,মিল্টনসহ একটি চক্র রাত অনুমানিক ১২ থেকে ৩টার সময় তারা অবৈধ কাকরা গাড়ি,জ্যাম ট্রাক, দিয়ে বালু বোঁঝাই করে নিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়রা আরো জানান,অবৈধভাবে বালু উত্তলন ও বিক্রির সাথে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও যুক্ত আছেন। তাদের কাছে বালু উত্তলন এর বিষয়ে বার বার অভিযোগ করলে তারা এড়িয়ে জান।
এ সময় তথ্য সংগ্রহ করা কালে উল্টো ইসময় চ্যানেলের এর সাংবাদিসহ বেশকিছু সংবাদ কর্মীদের ওপর হামলা করেন বালু ব্যবসায়ীরা।