সব সময় সব খানে


বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬

১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

>> শিক্ষকদের সম্মিলিত স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : শিক্ষা

আমরণ অনশনে অসুস্থ শিক্ষার্থী হাসপাতালে 


সিলেট প্রতিনিধি -ই সময়

eshomoy.com || 2022-01-20
আমরণ অনশনে অসুস্থ শিক্ষার্থী হাসপাতালে 

 

 


সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে আমরণ অনশনরত এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ২০ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুর দেড়টায় তার শরীর নিস্তেজ হয়ে যাওয়ায় তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে সিলেটের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
 

অসুস্থ হওয়া শিক্ষার্থীর নাম কাজল দাশ। ঐ শিক্ষার্থী বুধবার বিকেল ৩টা থেকে ২৪ জনের সঙ্গে অনশনে অংশ নেন।
 
অনশনকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা পানিসহ কোনো ধরনের তরল খাদ্য গ্রহণ করছেন না। যার ফলে অনেকেই নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছেন। তবে উপাচার্যের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত কেউ অনশন ভাঙবেন না। ১৯ জানুয়ারি (বুধবার) বিকেল ৩টা থেকে ২০ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১টা পর্যন্ত ২২ ঘণ্টার মত চলছে অনশন। শিক্ষার্থীরা জানান, ভিসির পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তারা অনশন চালিয়ে যাবেন।
 
 
এদিকে, শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙাতে বুধবার রাত পৌনে নয়টায় প্রায় দুই শতাধিকের বেশি শিক্ষকের একটি প্রতিনিধি দল কর্মসূচিস্থলে উপস্থিত হন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে রাত পৌনে ১২টা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকে চেষ্টা চালান। তিন ঘণ্টার চেষ্টায় কোনো কথা বলারই সুযোগ পায়নি শিক্ষকরা। এমনকি রিকশাযোগে নিয়ে আসা শিক্ষকদের মাইকও কর্মসূচিস্থলে প্রবেশ করতে দেয়নি শিক্ষার্থীরা।
 

শিক্ষকরা সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এসেছিলাম আমাদের শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙাতে। তাদের কাছে সে সময়টুকু চেয়েছি যেন এ ঘটনার পেছনে কারা জড়িত সেটা খুঁজে বের করতে পারি।

 
শিক্ষার্থীরা বলছে, উপাচার্যের নির্দেশে হামলা হয়েছে। তদন্তে যে দোষী হবে সে দায় নেবে। আমরা চাই উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত হোক। সরকার ও সিলেটের নেতৃবৃন্দ এখানে সম্পৃক্ত। যার নির্দেশে হামলা হয়েছে সেখানে উপাচার্যসহ যেই জড়িত থাকুক তাকে দায় নিতে হবে। 


বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব।