যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এইডস আক্রান্ত এক গর্ভবতীর সিজারিয়ান অপারেশন নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে দ্বিধা-বিভক্তি দেখা দিয়েছে। গর্ভবতীর মানবিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে সংক্রমণের ঝুঁকি এবং চিকিৎসক-নার্সদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। হাসপাতালের অন্যান্য বিভাগের চিকিৎসকরা দাবি করেন, একজন রোগীর জন্য অপারেশন থিয়েটার তিন দিন বন্ধ রাখলে অন্য রোগীদের সেবা বাধাগ্রস্ত হবে। তারা ওই গর্ভবতী রোগীকে বিশেষায়িত হাসপাতালে রেফার করার পক্ষে।
মাস তিনেক আগে ওই নারীর শরীরে এইডস ধরা পড়ে। বর্তমানে তার সিজারিয়ান অপারেশন প্রয়োজন। গাইনি বিভাগের চিকিৎসক ইয়াসমিন আক্তার অপারেশনের দিন নির্ধারণ করলেও নিরাপত্তা ও ঝুঁকি নিয়ে দ্বিধা প্রকাশ করেছেন। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. হুসাইন শাফায়াত বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এক গাইনি চিকিৎসক জানান, এইডস আক্রান্ত রোগীর শরীর থেকে নির্গত রক্ত ও তরল কীভাবে নিরাপদে নিষ্কাশন হবে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ যথাযথ ব্যবস্থা ছাড়া চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে।
যশোর সিভিল সার্জন মাসুদ রানা বলেন, এই ধরনের রোগীর সিজার সাধারণ হাসপাতালে ঝুঁকিপূর্ণ, বিশেষ সুরক্ষা সম্পন্ন হাসপাতালেই এ অপারেশন করা উচিত।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আগামী রোববার (১ জুন) সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
জেএইচ/ইডি