সব সময় সব খানে


রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬

১৭ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬
১৭ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> পঞ্চগড়ে এইচএসসির ফলাফলে দুই কলেজে পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী।

>> সিলেটের এমসি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার ৯৮.০৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮৮ শিক্ষার্থী।

>> আকরাম হত্যার পর একে একে মুখ খুলছেন নারীরা বিয়ের নামে লাখ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ মারুফের বিরু‌দ্ধে

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

আপনি পড়ছেন : এক্সক্লুসিভ

আধুনিক এই যুগে ঐতিহ্যের পথ হারাচ্ছে পানের বরজ।


রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা

eshomoy.com || 2024-03-21
আধুনিক এই যুগে ঐতিহ্যের পথ হারাচ্ছে পানের বরজ।
পানের বরজ। ছবি -ই সময়

পান- প্রচলতি একটি মুখরোচক খাবার। বরগুনা সদর উপজলোর ৬ নং বুড়িরচর ইউনিয়ন ও ৫ নং আয়লা পতাকাটাসহ বরগুনা সদরে ব্যাপক পান চাষে ব্যাস্ত পান চাষীরা। তবে আধুনিক এই যুগে ঐতিহ্যের পথ হারাচ্ছে পানের বরজ।


এই এলাকার মাটি ও আবহাওয়া পান চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় শত বছর আগেও এখানে ব্যাপক হারে পান চাষ হতো। উপজেলায় বর্তমানে ব্যাক্তিগত উদ্যোগে ১শ' ৩০ হেক্টর জমিত চাষ হচ্ছে পান।
উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় ও প্রশিক্ষণ এবং সহায়তার অভাবে বর্তমানে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে পান চাষীরা। ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে পান চাষের ঐতিহ্যবাহী পানের বরজ।

জানা গেছে- এখানকার উৎপাদিত পান বরগুনার চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ করা হয় বরিশাল, ঢাকা, চাঁদপুর সহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে বরগুনা, ফুলঝুড়ি, কদমতলা ও বেতাগীর কাজিরহাট থেকে সপ্তাহে দুই দিন পান সংগ্রহ করে নিয়ে যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বড় বড় শহরগুলোতে। সপ্তাহে দু'দিন পাইকারদের চাহিদা অনুযায়ী পান বাজারজাত করেন চাষীরা।

প্রেমিকের সাথে একা ঘরে ধরা পড়ায় , মায়ের হাতে মেয়ে খুন

চরকগাচিয়া গ্রামের পানচাষি রবিন চন্দ্র শীল জানান, তিনি নিজস্ব ৭০ শতাংশ জমিতে পান চাষ করেন। উৎপাদন বাড়ানো, রোগব্যাধি নির্মূল, সার ও কীটনাশকের সঠিক ব্যবহার সর্ম্পকে ধারণা না থাকায় নতুন করে পান চাষে কেউ আগ্রহ দেখাচ্ছে না। উৎপাদন খরচ পরিমাণ বেশি হওয়ায় পুরোনোরাও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন পান চাষ থেকে। ফলে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে পান শিল্প।

পতাকাটা গ্রামের যজ্ঞেশ্বর মজুমদার বলেন, পারিবারিক ভাবে তারা ৫০ বছরের বেশি সময় পান চাষ করছেন। তার সংসারের একমাত্র

আয়ের উৎস এই পানের বরজ। কিন্তু বর্তমানে উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় পান চাষ কমিয়ে সেই জমিতে অন্যান্য সবজি চাষ করেন। কোনো প্রকার সহযোগতিা বা প্রশিক্ষণও দেয় না কৃষি দপ্তর বলেও জানান তিনি।

৬ নং বুড়িরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির জানান, পানচাষীদের জন্য কৃষি দপ্তর বা ইউনয়িন পরিষদে বিশেষ কোনো বরাদ্দ নেই। তবে পরিষদের পক্ষ থেকে সব সময় চাষীদের সহযোগিতা করা হয়।

বরগুনা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ১২৫ হেক্টর জমিতে ৯৬৩ জন চাষী পানের চাষ করে ৪.৪২ মেট্রিক টন পার হেক্টরে ফলন ফলিয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছে।

মাত্র ৭ থেকে ১০ বছর আগেও এর পরিমাণ দ্বিগুণ ছিল। পান চাষীদের সরকারি ভাবে কোনো প্রশিক্ষণ বা প্রণোদনা দেয়ার মত কোন বরাদ্দ নেই। তবে চাষিরা যদি কোনো পরার্মশ চায়, তখন আমরা বিভিন্ন বিষয়ে পরার্মশ দিয়ে সহযোগিতা করে থাকি। পানচাষীরা যদি প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন করেন তাহলে কৃষি দপ্তর থেকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।