পান- প্রচলতি একটি মুখরোচক খাবার। বরগুনা সদর উপজলোর ৬ নং বুড়িরচর ইউনিয়ন ও ৫ নং আয়লা পতাকাটাসহ বরগুনা সদরে ব্যাপক পান চাষে ব্যাস্ত পান চাষীরা। তবে আধুনিক এই যুগে ঐতিহ্যের পথ হারাচ্ছে পানের বরজ।
প্রেমিকের সাথে একা ঘরে ধরা পড়ায় , মায়ের হাতে মেয়ে খুন
চরকগাচিয়া গ্রামের পানচাষি রবিন চন্দ্র শীল জানান, তিনি নিজস্ব ৭০ শতাংশ জমিতে পান চাষ করেন। উৎপাদন বাড়ানো, রোগব্যাধি নির্মূল, সার ও কীটনাশকের সঠিক ব্যবহার সর্ম্পকে ধারণা না থাকায় নতুন করে পান চাষে কেউ আগ্রহ দেখাচ্ছে না। উৎপাদন খরচ পরিমাণ বেশি হওয়ায় পুরোনোরাও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন পান চাষ থেকে। ফলে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে পান শিল্প।
পতাকাটা গ্রামের যজ্ঞেশ্বর মজুমদার বলেন, পারিবারিক ভাবে তারা ৫০ বছরের বেশি সময় পান চাষ করছেন। তার সংসারের একমাত্র
আয়ের উৎস এই পানের বরজ। কিন্তু বর্তমানে উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় পান চাষ কমিয়ে সেই জমিতে অন্যান্য সবজি চাষ করেন। কোনো প্রকার সহযোগতিা বা প্রশিক্ষণও দেয় না কৃষি দপ্তর বলেও জানান তিনি।
৬ নং বুড়িরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির জানান, পানচাষীদের জন্য কৃষি দপ্তর বা ইউনয়িন পরিষদে বিশেষ কোনো বরাদ্দ নেই। তবে পরিষদের পক্ষ থেকে সব সময় চাষীদের সহযোগিতা করা হয়।
বরগুনা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ১২৫ হেক্টর জমিতে ৯৬৩ জন চাষী পানের চাষ করে ৪.৪২ মেট্রিক টন পার হেক্টরে ফলন ফলিয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছে।
মাত্র ৭ থেকে ১০ বছর আগেও এর পরিমাণ দ্বিগুণ ছিল। পান চাষীদের সরকারি ভাবে কোনো প্রশিক্ষণ বা প্রণোদনা দেয়ার মত কোন বরাদ্দ নেই। তবে চাষিরা যদি কোনো পরার্মশ চায়, তখন আমরা বিভিন্ন বিষয়ে পরার্মশ দিয়ে সহযোগিতা করে থাকি। পানচাষীরা যদি প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন করেন তাহলে কৃষি দপ্তর থেকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।