বাংলাদেশে একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণে আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেছে তুরস্ক। রোববার (১ জুন) তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আমানুল হকের সঙ্গে এক বৈঠকে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. কেমাল মেমিসওলো এই প্রতিশ্রুতি দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাস।
দূতাবাস জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা চলছিল। তবে জমি বরাদ্দ না হওয়ায় কাজটি এগোয়নি। সম্প্রতি বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর তুরস্ক সফরের সময় জমি সংক্রান্ত বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে উপস্থাপন করা হলে তিনি বরাদ্দ নিশ্চিতের আশ্বাস দেন। এরপর রাষ্ট্রদূত বিষয়টি নিয়ে তুরস্কের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
বৈঠকে কেমাল মেমিসওলো জানান, শিগগির একটি কমিটি গঠন করে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের এই হাসপাতাল যেন বাংলাদেশিদের মাধ্যমেই পরিচালিত হয় সে জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এতে বিদেশমুখি চিকিৎসার প্রয়োজন কমবে এবং দেশের স্বাস্থ্যখাতে বড় পরিবর্তন আসবে।
এসময় রাষ্ট্রদূত ২০১৬ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে আহত সাত বাংলাদেশিকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি আরও আহতদের উন্নত চিকিৎসার সুযোগ চেয়ে তুরস্ক সরকারের কাছে অনুরোধ জানান। জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, যাদের উন্নত চিকিৎসায় সুস্থ করা সম্ভব তাদের একটি তালিকা দিতে হবে।
বৈঠকে আরও আলোচনা হয়—বাংলাদেশি চিকিৎসক ও নার্সদের তুরস্কে প্রশিক্ষণ, আহতদের চিকিৎসায় তুরস্ক থেকে বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো এবং অঙ্গ হারানো ব্যক্তিদের কৃত্রিম অঙ্গ সংযোজন বিষয়ে সহযোগিতা নিয়েও।
জেএইচ/ইডি