সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : এক্সক্লুসিভ

‘আমি খালেদা জিয়া বলছি’—নকল কণ্ঠে ২৬ কোটির প্রতারণা!


ইসময় ডেস্ক

eshomoy.com || 2025-07-08
‘আমি খালেদা জিয়া বলছি’—নকল কণ্ঠে ২৬ কোটির প্রতারণা!
ফাইল ছবি |ইসময়|

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কণ্ঠ নকল করে প্রতারণার মাধ্যমে ২৬ কোটিরও বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মো. মোতাল্লেছ হোসেন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) তদন্তে উঠে এসেছে এই তথ্য। তবে এখনো অধরা রয়েছেন অভিযুক্ত।

বিএফআইইউর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর থেকে তিন মাসে গুলশানের সিটি ব্যাংকে মোতাল্লেছের হিসাবে জমা হয় প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। হঠাৎ এত লেনদেন নজরে আসায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তথ্য চেয়ে তদন্ত শুরু করে। এরপরই বেরিয়ে আসে অবাক করা তথ্য।

তদন্তে দেখা যায়, তার ও তার প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৯টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। সাতটি হিসাব বিশ্লেষণে ২৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকার অস্তিত্ব মেলে। অথচ তার আয়কর রিটার্নে সম্পদের পরিমাণ মাত্র ৩৪ লাখ টাকা দেখানো হয়েছিল।

বিএফআইইউ জানায়, খালেদা জিয়ার কণ্ঠ নকল করে তিনি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করতেন। অভিনব এই প্রতারণায় তার সহযোগীদেরও জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি রাজধানীর একটি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক।

জানা গেছে, মোতাল্লেছের ব্যাংক হিসাবের নমিনি তার ভাই (কাজিন) অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কাইয়ুমুজ্জামান, যিনি বর্তমানে নৌপুলিশে কর্মরত।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোতাল্লেছ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ভুয়া, বানোয়াট ও মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একজন আইন কর্মকর্তা ও বিএফআইইউয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা এই হয়রানির সঙ্গে জড়িত।’

জেএইচ/ইডি