সব সময় সব খানে


শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

৭ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬
৭ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> গণভোটের রায় বনাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: জামায়াতের অবস্থানে কি দ্বিচারিতা?

>> ফুলবাড়ীতে সীমান্তের ১৫ যুবককে ইলেকট্রিক্যাল প্রশিক্ষণ দিল বিজিবি

>> সানন্দবাড়ীতে ৭ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক

>> হাতীবান্ধায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

>> মীরসরাইয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার: বিশেষ সম্মাননা পেলেন ওসি ফরিদা ইয়াসমিন

>> শীত আসার আগেই কাঞ্চনজঙ্ঘার মোহনীয় রূপে মুগ্ধ পর্যটকরা।

>> ফুলবাড়ীতে বিজিবির অভিযানে ৩ লাখ ৩৬ হাজার টাকার মাদক জব্দ

>> হাতীবান্ধায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

>> ফরিদপুরে ওই যে বর্তমান যুগের লেটেস্ট শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুলড্রেস, ব্যাগ, জুতা বিতরণ করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

>> প্রিমিয়ার সিমেন্ট ও হাফিজ স্টোরের উদ্যোগে কমলনগরে জমজমাট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগদান, কী হতে পারে এর তাৎপর্য?


আয়াত, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2026-08-01
সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগদান, কী হতে পারে এর তাৎপর্য?

বাংলাদেশ সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন নতুন বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে। এই জোটের মূল লক্ষ্য হলো বাব আল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগর দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহন নিরাপদ রাখা। সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সৌদি আরব এ উদ্যোগ নেয়।

সৌদি আরবের পাশাপাশি বাংলাদেশ, তুরস্ক, পাকিস্তান, মিসর, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, ইয়েমেন, সুদান, জিবুতি, সোমালিয়া ও নাইজেরিয়াসহ মোট ১৪টি দেশ জোটের প্রাথমিক কাঠামোয় সমর্থন জানিয়েছে। জোটটির স্থায়ী সদর দপ্তর থাকবে রিয়াদে।

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই জোটের কার্যক্রমের মধ্যে থাকবে সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, যৌথ প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, অপারেশনাল সমন্বয় এবং প্রয়োজন হলে যৌথ সামুদ্রিক অভিযান। সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক উদ্যোগ, কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে গঠন করা হয়নি।

বাংলাদেশের জন্য এই উদ্যোগের তাৎপর্য হলো আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথের নিরাপত্তা রক্ষায় সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট সুরক্ষায় অংশীদার হিসেবে ভূমিকা রাখা। বিশ্লেষকদের মতে, এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা ও কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও জোরদার হতে পারে।